Showing posts with label কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার ট্রাবলশুটিং. Show all posts

কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ডিটেক্ট Detect করছে না সমাধান সমুহ জেনে নেই

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের এ ধরনের সমস্যায় প্রায়ই পড়তে হয়৷ বিভিন্ন কারণে কম্পিউটারে পাওয়ার দেওয়ার পর হার্ডডিস্ককে কম্পিউটার ডিটেক্ট করতে পারে না৷ 

সমস্যার সম্ভাব্য কারণসমূহ:





১. ভালোভাবে লক্ষ্য করুন হার্ডডিস্কের সাথে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাই থেকে আসা পাওয়ার কর্ডটি ঠিকমতো সংযুক্ত আছে কি-না৷

২. হার্ডডিস্কটির সাথে মাদার বোর্ডের আইডিই বাস ক্যাবল দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত আছে কি-না৷

৩. হার্ড ডিস্কের জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা ? এক্ষেত্রে হার্ডডিস্কের জাম্পার দুইভাবে সেট করা যায় একটি মাস্টার সেটিং অন্য স্লেভ সেটিং৷

৪. হার্ড ডিস্কটি মাদারবোর্ডের সাথে প্রাইমারি না সেকেন্ডারি হিসেবে সংযুক্ত নিশ্চিত হোন৷

৩ ও ৪ নং কনফিগারেশরনের জন্য যদি একই সেটিংসে একাধিক IDE Device (CD ROM, HDD) থাকে তবে তা পাওয়া নাও যেতে পারে- যেমন দেখা গেল যে একটি HDD ও একটি CD Rom উভয়েই Secondary master হিসেবে কনফিগার করা৷ এক্ষেত্রে দুটি Device-এর কোনো একটি নাও পাওয়া যেতে পারে৷

৫. BIOS-এ IDE অটো ডিটেক্ট অপশনটি ডিজেবল থাকলে তা ৪টি IDE ডিভাইসের জন্য এনাবল করতে হবে নতুবা ম্যানুয়ালি HDD কে ডিটেক্ট করিয়ে দিতে হবে৷

আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি।সবার সামনে আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভাল থাকবেন আর আমাদের সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ সবাইকে। 




CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


Laptop হটাত বন্ধ হবার কিছু কারন ও সম্ভাব্য সমাধান

Laptop চলতে চলতে হঠাত্ বন্ধ হয়ে গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। Laptop হঠাত্ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার এ সমস্যা খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট পিসি ম্যাগের প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা এ ক্ষেত্রে আতঙ্কিত না হয়ে করণীয় সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

ল্যাপটপে কাজ করার সময় বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়, তবে যখন কাজের সুবিধার পরিবর্তে ল্যাপটপ অসুবিধা তৈরি করে তখন বিরক্তি লাগে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবার আগে জানার প্রয়োজন পড়ে ঠিক কী কারণে ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আর এরকম ঘটতে থাকলে ল্যাপটপ নিয়ে কী করা যায় সে বিষয়গুলো। ল্যাপটপ যাতে হঠাত্ বন্ধ হয়ে না যায় সেক্ষেত্রে কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।

কেন বন্ধ হচ্ছে Laptop?
Laptop হঠাত্ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে তিনটি পরিচিত কারণ রয়েছে। এ তিনটি কারণে মূলত আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ তিনটি ঘটনায় Laptop বন্ধ হয়ে গেলে তা নিজে সমাধান করা সহজ।

প্রথম কারণ: বাহ্যিক
Laptop বন্ধ হওয়ার প্রথম কারণ হচ্ছে বাহ্যিক। Laptop থেকে নির্গত অতিরিক্ত তাপের কারণে Laptop গরম হয়ে এটা ঘটতে পারে। ল্যাপটপের ভেতর ধুলা জমে বা ল্যাপটপ থেকে বাতাস বের হতে না পারলে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। ল্যাপটপে টানা গেম খেলা, ভিডিও চালানো বা দীর্ঘক্ষণ কাজ করা হলে ল্যাপটপের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং ল্যাপটপ গরম হয়ে যায় যা ল্যাপটপ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

দ্বিতীয় কারণ: অপর্যাপ্ত মেমোরি
মানুষের মস্তিষ্কের মতোই ল্যাপটপের RAM-এ বিভিন্ন তথ্য ও প্রোগ্রাম চালু থাকে। RAM-এর ক্ষমতার অতিরিক্ত চাপ পড়লেই বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। এতে ল্যাপটপের গতি কমে যায়। এমনকি প্রসেসরের ওপর চাপ পড়লেই Laptop বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি ব্লু স্ক্রিন এর মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

তৃতীয় কারণ: সফটওয়্যার সম্পর্কিত
বায়োসের সমস্যা থেকে শুরু করে সফটওয়্যার বাগ, ম্যালওয়্যার ও ভাইরাসের কারণেও ল্যাপটপ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দ্রুত কী ব্যবস্থা নেবেন?
Laptop হঠাত্ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যেতে দেখলে এর কারণ যাই হোক না কেনো সব সময় প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।

১. প্রথমত যে প্রোগ্রামটির কারণে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সেটা বন্ধ করে দিন। যদি একটি প্রোগ্রাম চালু থাকার সময় ল্যাপটপে সমস্যা দেখা যায় তবে সে প্রোগ্রামটি বন্ধ করলেই সমস্যা সাময়িক সমাধান হয়ে যায়। তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রোগ্রামটি বন্ধ করতে গিয়েও সমস্যা দেখা যায়। প্রোগ্রাম যদি আনরেসপনসিভ বা বন্ধ হতে না চায় তবে Task Manager-এ গিয়ে তা বন্ধ করে দিতে পারেন। আবার Ctrl+Alt+Del চেপেও প্রোগ্রামটি বন্ধ করা যায়। এ ছাড়াও Ctrl+Alt+Esc চেপেও প্রোগ্রাম বন্ধ করতে পারেন।

২. যদি প্রোগ্রাম কোনোভাবেই বন্ধ করা না যায় তবে তখন শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। অধিকাংশ ল্যাপটপের ক্ষেত্রে বেশ কিছুসময় ধরে পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রেখে Laptop বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশিক্ষণ পাওয়ার বাটন চেপে রাখলে পাওয়ার বন্ধ হয়ে যায়। এতেও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তবে বিদ্যুত্ সংযোগ সরিয়ে ফেলুন এবং ব্যাটারি খুলে ফেলুন।

৩. দ্বিতীয় ধাপটি হচ্ছে Laptop কতটুকু গরম হয়েছে তা পরীক্ষা করা। হাতে স্পর্শ করেই ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবেন। তবে সরাসরি হাত দিয়ে পরীক্ষার সময় অবশ্যই সচেতন থাকবেন যাতে হাত পুড়ে না যায়। ল্যাপটপ থেকে বাতাস বের হতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কী না বা ধুলা জমেছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন।

সারাইখানা
Laptop অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা সাধারণত ধুলো পরিষ্কার করলেই সেরে যায়। অনেক ক্ষেত্রে ল্যাপটপের ফ্যান বা হিট সিঙ্ক ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় করণীয়গুলো ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই নানা টিউটোরিয়াল থেকে জেনে নিতে পারবেন। তবে নিজে ল্যাপটপ খোলার ঝুঁকি নিতে না চাইলে অবশ্যই পেশাদার সারাইখানায় নিয়ে সমস্যা সমাধার করে নিতে পারবেন।

ল্যাপটপের মেমোরি সমস্যা সমাধান করতে হলে আপনার ল্যাপটপে মেমোরি দখল করেছে কোন প্রোগ্রাম তা বের করুন। টাস্ক ম্যানেজারের ‘প্রসেস’ ট্যাব থেকে আপনি আপনার ল্যাপটপের চলমান প্রসেসগুলো জানতে পারবেন। কোনো প্রোগ্রাম চালু না করে আপনি কোন প্রোগ্রাম কতটুকু জায়গা নিয়েছে তা দেখে নিতে পারবেন। যদি কোনো প্রোগ্রাম চালু না থাকা অবস্থায় অনেক বিশাল জায়গা ব্যবহূত হচ্ছে দেখায় তবে সমস্যা রয়েছে বলেই ধরে নিতে হবে। যদি ফিজিক্যাল মেমোরির বেশির ভাগ খালি থাকে তবে সর্বশেষ ব্যবহূত প্রোগ্রামটি আবার চালু করে দেখতে পারেন। এভাবে ব্যবহূত অ্যাপ্লিকেশনগুলো কতটুকু মেমোরি ব্যবহার করছে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। উইন্ডোজ মেমোরি ডায়াগনস্টিক টুল থেকে মেমোরি টেস্ট দিয়েও এ পরীক্ষা চালাতে পারেন। যদি জায়গার স্বল্পতা দেখায় তবে অবশ্যই আপনাকে কিছু প্রোগ্রাম আন ইনস্টল করে জায়গা ফাঁকা করতে হবে। মেমোরি দখল করে এমন অপ্রয়োজনীয় ফাইল, প্রোগ্রাম সরিয়ে ফেলুন এবং হার্ডড্রাইভে অধিকতর ফাইল সংরক্ষণ করুন। ল্যাপটপে র্যাম বাড়ান এবং মেমোরি উন্মুক্ত রাখুন।

ল্যাপটপে যদি সফটওয়্যার জনিত সমস্যা হয় তবে দুটি উপায়ে সমাধান করা যেতে পারে। একটি হচ্ছে সিস্টেম রিস্টোর পদ্ধতি। সিস্টেম টুলস ফোল্ডার থেকে সিস্টেম রিস্টোর করে ল্যাপটপকে একেবারে প্রথম থেকে চালু করা যায়। দ্বিতীয় সমাধান হচ্ছে ল্যাপটপের ড্রাইভার আপডেট ও ভাইরাস স্ক্যান।

ল্যাপটপের ব্যাটারি আয়ু বাড়ানোর পরামর্শ
ল্যাপটপে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন অথচ এমন সময়ে দেখলেন ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় হঠাত্ বন্ধ হয়ে যেতে পারে ল্যাপটপ। অধিকাংশ ল্যাপটপে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। খুব বেশি কাঠখঢ় না পুড়িয়েও কয়েকটি ছোট পরামর্শ মেনে চললে ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু বাড়ানো সম্ভব।

ব্রাইটনেস (Brightness) কমাতে পারেন
মুঠোফোনের মতো ল্যাপটপের ডিসপ্লে অতিরিক্ত চার্জ ব্যবহার করে ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দেয়। তাই ডিসপেস্নর ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখতে পারেন। এ ছাড়া কিবোর্ডের ব্যাকলাইট বন্ধ করে রাখুন।

ইউএসবি (USB) সাবধানতা
ইউএসবির মাধ্যমে ল্যাপটপে যুক্ত করা এক্সটার্নাল পণ্য ল্যাপটপের ব্যাটারি থেকে চার্জ গ্রহণ করে। ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে কাজ শেষ হলেই এক্সটার্নাল ডিভাইসগুলো সরিয়ে ফেলুন। ইউএসবি থেকে ভাইরাস ল্যাপটপে আসতে পারে। তাই ইউএসবি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। ব্যবহারের আগে স্ক্যান করে নিন।

Laptop ঠান্ডা রাখুন
ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হলে এর ভেতরের পাখা দ্রুত ঘুরতে থাকে, যা ব্যাটারি থেকে অতিরিক্ত চার্জ ব্যবহার করে। তাই ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হওয়া ঠেকাতে ল্যাপটপ কুলার ব্যবহার করতে পারেন। ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখার চেয়ে হাইবারনেট মোডে রাখুন।

পাওয়ার প্ল্যান সেট আপ
উইন্ডোজনির্ভর ল্যাপটপগুলোতে পাওয়ার প্ল্যান সেটিংস বিল্ট ইন থাকে। এই পাওয়ার প্ল্যান থেকে সুবিধামতো অতিরিক্ত চার্জ গ্রহণ করে, এমন বিষয়গুলো বন্ধ করে রাখতে পারেন।

পেশাদারদের কাছে যাবেন কখন?
ল্যাপটপের সমস্যা সমাধানের এ সাধারণ উপায়গুলো যখন ব্যর্থ হবে তখনও হতাশ হওয়া কোনো কারণ নেই; আছে, আর দুটি পথ খোলা রয়েছে আপনার সামনে। একটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন গুগলে অনুসন্ধান করা। ল্যাপটপের মডেল নম্বর ও সমস্যার কথা লিখে গুগলে সার্চ দিন। আপনার ল্যাপটপের সমস্যা জানিয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বরাবার মেইল করতে পারেন। যে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ল্যাপটপ কিনেছেন তাদের সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন।

যখন আর কোনো উপায়ই কাজে আসবে না তখন কম্পিউটার মেরামতের দোকান বা সারাইখানার খোঁজ করবেন। আপনার আশে পাশে পরিচিত অনেক কম্পিউটার সারাইখানাই পাবেন, যেখানে হঠাত্ হঠাত্ বন্ধ হয়ে যাওয়া ল্যাপটপ সমস্যা নিয়ে অনেকে যান। এসব সারাইখানায় অনেক বড় সমস্যা দেখিয়ে প্রচুর অর্থ দাবি করে। ল্যাপটপ সারাই করার খরচ সর্বনিম্ন এক হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়। ল্যাপটপের সামান্য সমস্যায় অনেককেই বিপর্যস্ত হতে দেখা যায়, সমস্যা সমাধানের সামান্য কিছু কৌশল জানা থাকলে 






CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


computer hang ওয়া প্রোগ্রাম বন্ধ করে ফেলুন সহজেই

আমরা যখন কম্পিউটার চালাই তখন অনেক সময় দেখা যায় যে কোন একটা প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে গেল।



এই সমস্যা হতে উদ্ধার হওয়ার জন্য আমরা টাস্ক ম্যানেজারের কাছে সাহায্য চাই। কিন্তু আপনি খুব সহজে এক ক্লিকে বন্ধ করতে পারবেন আপনার হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম। 





এর জন্য প্রথমে ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করুন এবং new তে গিয়ে Shortcut সিলেক্ট করুন তাহলে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন (Location) জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে Next বাটনে ক্লিক করুন।

taskkill.exe /f /fi “status eq not responding”

শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার দেওয়া নামে একটা শর্টকাট তৈরী হয়েছে আপনার ডেস্কটপে এখন থেকে কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হলে শুধু এখানে একবার ডাবল ক্লিক করুন। বন্ধ হয়ে যাবে আপনার হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম। 



CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


পিসির ড্রাইভ Virus এর জন্য open না হলে যা করবেন

how-to-remove-virus-from-hard-drive
প্রায়ই দেখা যায় ভাইরাসের (Virus) কারনে আপনার পিসির ড্রাইভ (Hard Drive) যেমন- C,D,E,F মাউসের ডাবল ক্লিকে open করতে যাচ্ছেন তখন open With অপশন আসছে অথবা error মেসেজ দেখাচ্ছে হঠাৎ এ ধরনের সমস্যা আপনার জন্য সত্যি বেশ একটা বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায় সাধারনত এই ঘটনাটা ঘটে autorun ভাইরাস অ্যাটাক এর দরুন তাই আমাদের পিসির C,D,E,F বা এই জাতীয় ড্রাইভগুলো যখনই open করতে চাই আমরা ব্যর্থ হয়ে থাকি আবার অনেক সময় দেখা যায় আপনার ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা পেনড্রাইভে অটোরান (autorun.inf) ফাইল রান করছে  সেগুলো Delete করতে যাচ্ছেন কিন্তু Delete হচ্ছে না।

তাই আজকে দেখব কিভাবে এটার একদম সহজ সমাধান করতে পারবেন ।

নিচে সহজ সমাধানগুলো দেয়া হল 

  • প্রথমে windows menu+R প্রেস করে Run এ যান তারপর cmd টাইপ করুন (দেখবেন কম্যান্ড প্রমট ওপেন হয়েছে) ।


  • এবার টাইপ করুন “cd\” তার পরে এন্টার চাপুন। (কোটেশন দিবেন না)
  • এবার আপনার ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভ এর নাম দিন , যদি D ড্রাইভ হয় তাহলে D: লিখে ইন্টার দিন ।
  • এবার টাইপ করুন ” attrib -r -h -s autorun.inf ”


  • তারপর টাইপ করুন ” del autorun.inf ”

এখন দেখুন আপনার পিসির হার্ড ড্রাইভ ডাবল ক্লিকে(Double Click) ওপেন না হওয়ার সমস্যাটি ঠিক হয়ে গেছে। এভাবে ইচ্ছে করলে আপনি আপনার ফ্ল্যাশ ড্রাইভ থেকেই autorun.inf ফাইল Delete করতে পারবেন। 



CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


ল্যাপটপ এর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের পদ্ধতি

ল্যাপটপ একটি অতি প্রয়োজনীয় ডিভাইস। পোর্টাব্যলিটি এবং শক্তিশালী স্পেসিফিকেশনের কারণে এখন পর্যন্ত এই ডিভাইসটি টেক গিকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরেই রয়েছে। 

এই ডিভাইসটি যেহেতু সচরাচর আমরা ঘরের বাইরেও ব্যবহার করে থাকি তাই ডিভাইসটি দীর্ঘ দিন ব্যবহারের পর এর ভেতরে অনেক প্রকার ময়লা জমে যায়। ল্যাপটপ এর ভিতরে ময়লাগুলো মূলত এর কুলিং ফ্যান, ভেন্টিলেটর এবং হিট স্কিনেই বেশি পরিমাণে জমে, যার ফলে এটি ল্যাপটপ এর কুলিং সিস্টেমকে তার কাজ পরিপুর্ন ভাবে করতে বাঁধা প্রদান করে। ফলাফল স্বরূপ ল্যাপটপ টির কুলিং সিস্টেম শতভাগ কাজ করতে না পারায় ডিভাইসটি অল্প ব্যবহারেই অনেক বেশি গরম হয় যায়।

ল্যাপটপ এর ক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেম কাজ করাটা বেশ গুরুত্বপুর্ন। কেননা, ল্যাপটপডিভাইসের বডি সাধারণত অনেক কম স্পেসের হয়ে থাকে এবং এর জন্য হার্ডওয়্যার গুলো উত্তপ্ত হয়ে সহজেই ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও, কুলিং ফ্যানে ময়লা জমার কারণে সেই ফ্যানটির ঘুরতে বেশি ইলেক্ট্রিক সোর্সের প্রয়োজন পরে যার ফলে দ্রুত ড্রেইন হয় ল্যাপটপ এর ব্যাটারিও! বুঝতেই পারছেন, এইটুকু ময়লাই আপনার কতটুকু ক্ষতি করতে সক্ষম!  তাই, আজকের টিউটোরিয়ালটিতে ল্যাপটপ এর ময়লা কীভাবে পরিষ্কার করতে হয় – এ সম্পর্কে আমি আপনাদের যথাযত গাইড চেষ্টা করতে চেষ্টা করব।
আমি এই ল্যাপটপ এর  ময়লা পরিষ্কারের মিশনকে দু’টি ভাগে ভাগ করছি,
১। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে সক্ষম হন
২। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে অপারগ হন
চলুন তাহলে, শুরু করা যাক।

১। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে সক্ষম হন

বর্তমান সময়ের অধিকাংশ ল্যাপটপ এর বিল্ড আর্কিটেকচার এমন ভাবে প্রস্তুত করা হয় যাতে করে একজন ব্যবহারকারী এটি পুরোপুরি খুলতে সক্ষম না হয়; এখন এর পিছে ম্যানুফ্যাকচার প্রতিষ্ঠানের কোন লজিকটি কাজ করে আমি জানিনা। হয়তো তারা ‘সেফটি’ দেখেন, আর নয়তো ‘বিসনেস’!! তো যাই হোক, এর ফলে সমস্যার পরিমাণই বেশি হয়। কেননা, ল্যাপটপ টি পুরোপুরি পরিষ্কার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
খেয়াল করে দেখুন, আপনার ল্যাপটপ এর  নিচে একটি প্যানেল আছে (একের বেশিও থাকতে পারে) এবং সেই প্যানেলটি ল্যাপটপ এর আপার বডির সাথে অনেক গুলো স্ক্রু দ্বারা যুক্ত। সাবধানে স্ক্রু গুলো খুলে নিচের প্যানেলটি খুলে ফেলুন। যদি আপনার কাছে প্রসেসটি কঠিন মনে হয় তবে আপনি অনলাইনে আপনার ডিভাইসটি খুলতে হয় সে সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন। এছাড়াও কিছু কিছু ল্যাপটপ এর  সাথে স্পেশাল ‘সার্ভিস ম্যানুয়াল’ থাকে। যদি আপনার ল্যাপটপ এর সার্ভিস ম্যানুয়ালটি আপনার কাছে থেকে থাকে তবে সহজেই আপনারল্যাপটপ টি আপনি খুলতে পারবেন।

ল্যাপটপ এর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের পদ্ধতি






মনে রাখবেন, অনেক ম্যানুফ্যাকাচারার প্রতিষ্ঠানেই এমন নিয়ম রয়েছে যে একজন ব্যবহারকারী নিচের প্যানেল খুললেই সেই ডিভাইসটির ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে, তাই প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন। এবার ধরে নিচ্ছি আপনার ল্যাপটপ টি আপনি খুলে ফেলেছেন, এখনঃ-
১। প্রথমে স্ক্রু গুলো গুছিয়ে এক স্থানে রাখুন।

২। এমন কোন জায়গায় কাজ করুন যে যায়গাটুকু ময়লা হলে সমস্যা হবেনা।

৩। একটি ব্লোয়ারের সাহায্যে এমন ভাবে ব্লো করুন যাতে করে ল্যাপটপ এর  ময়লাগুলো আরোও ভিতরে না ঢুকে ল্যাপটপ এর ভেন্টিলেটর দিয়ে বের হয়ে যায়।

৪। আপনি যদি ব্লোয়ারের সাহায্যে ল্যাপটপ এর কুলার ফ্যানটিকের পরিষ্কারের উদ্দেশ্যে বেশি দ্রুত স্পিন করান তবে এটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই খেয়াল করে পরিমাণ মত প্রেসার দিন কুলার ফ্যানে। সবথেকে ভালো হয় যদি আপনি কুলার ফ্যানটিকে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ব্লোয়ার দিয়ে হালকা হালকা ব্লাস্ট দিতে পারেন।
এভাবেই আপনি আপনার ল্যাপটপ টিকে শতভাগ না হলেও ভালোই ময়লা মুক্ত করতে সক্ষম হবেন।
** মনে রাখবেন, কমদামী ব্লোয়ার গুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফিক্সড পাওয়ারের হয়ে থাকে ফলে ওগুলো দিয়ে ল্যাপটপ এর ময়লা পরিষ্কার করাটা রিস্কি হতে পারে। তাই ব্লোয়ার ব্যবহারের সময় যেগুলোতে আপনি পাওয়ার অ্যাডজাস্ট করতে পারবেন সেগুলোই ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন। আর সবচাইতে ভালো হয় আপনি যদি কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করতে পারেন, এর অপর নাম ‘ক্যানড এয়ার’।

ল্যাপটপ এর জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারের পদ্ধতি





২। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ টি খুলতে অপারগ হন

আগেই বলেছি আধুনিক ল্যাপটপ গুলোর বিল্ড আর্কিটেকচার সম্পর্কে। কিন্তু, ম্যানুফ্যাকচারার চাক বা না চাক, ময়লা তো ল্যাপটপ এর ভিতরে জমবেই। আর এজন্যে আপনার কিছু সমস্যারও সম্মুখীন হতে হবে। যদিও, এই পদ্ধতিতে খুব অল্পই ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব… তবুও চলুন, জেনে নেই।
১। ক্যানড এয়ারের মাধ্যমে আপনি আপনার ভেন্টিলেটর টার্গেট করে বাতাসের ব্লাস্ট দিন। এতে করে সব ময়লা পরিষ্কার না হলেও ভেন্টিলেটর , কুলিং ফ্যান এবং আরও কিছু ময়লা কিছুটা হলেও পরিষ্কার হবে।
২। আগেও বলেছি, কুলিং ফ্যান বেশি দ্রুত স্পিন করলে তা ড্যামেজ হতে পারে।
৩। কীবোর্ডের উপর দিয়ে ব্লাস্ট দিন। অনেক ডিভাইসের কীবোর্ড লেয়ারর নিচে একটা নিরাপত্তা স্তর থাকেনা, বা কিছু ফাঁক ফোঁকর থাকে।
৪। ব্যাটারী খুলে, ব্যাটারী প্যানেলে কোন ছিদ্র থাকলে তা টার্গেট করে ভেন্টিলেটরের দিকে এয়ার ব্লাস্ট করুন। তাতে কিছুটা ময়লা পরিষ্কার হবে।
এভাবে বেশি ডাস্ট পরিষ্কার হবেনা কিন্তু অবশ্যই কুলিং ফ্যান এবং ভেন্টিলেটর পরিষ্কার হওয়ায় আপনার ল্যাপটপ এর কুলিং সিস্টেম ভালো কাজ করবে।

শেষ কথাঃ

আপনার ল্যাপটপ টির যদি খুব দ্রুতই ওভারহিটিং এর সমস্যা থাকে এবং আপনি পরিষ্কার করতে অপারগ হন তবে আপনার উচিৎ বিলম্ব না করে প্রোফেশনালদের সার্ভিস গ্রহণ করা, কেননা ছোট ছোট সমস্যাই বড় কোন দূর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ভালো থাকুন





শ্রেষ্ঠ কম্পিউটার টিপস ও ট্রিকস যা প্রত্যেকেরই জানা দরকার ।


কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং ট্রিকস জানতে চান। কিছু ব্যবহারকারী আগ্রহ দেখান না কিন্তু এই সাধারণ ট্রিকস প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য খুবই সহায়ক। এই কৌশলগুলি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবেনা শুধুমাত্র নীচের টিপস ও ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে।
God Mode: এটি উইন্ডোজ হিডেন ফোল্ডার, গড মোড ফোল্ডার আপনাকে ফোল্ডারের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ প্যানেল দেয় যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস এবং VPN সেটিংস, ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সবকিছু অপটিমাইজ করতে পারেন। এই ফোল্ডার তৈরি করতে
  • নতুন একটি ফোল্ডার তৈরি করে রিনেম করতে হবে God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C} এটি দিয়ে।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোল্ডার এর কন্ট্রোল প্যানেল আইকন পরিবর্তন করবে।
  • এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর যেকোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন।
Problems Step Recorder: সিস্টেম এরর রেকর্ড করার একটি হ্যান্ডি টুল হল স্টেপ রেকর্ডার। কোন সমস্যা হলে কারিগরি সহায়কের সঙ্গে পরামর্শ দরকার হলে প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার আপনার সমস্যার রেকর্ড রাখবে পিসিতে। সাহায্যের জন্য সকল সমস্যার স্ক্রিনশট রাখে এটি। সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্যকারী ব্যক্তির কাছে তথ্য পাঠাতে সাহায্য করবে এটি। প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে
  • উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করে run টাইপ করুন
  • রান বক্স ওপেন হলে psr টাইপ করতে হবে এবং ok বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এবার প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারবেন।
সর্বাধিক পরিচিত কি-বোর্ড শর্টকাট: পিসি সহজে চালানোর জন্য ব্যবহারকারীকে বেশী বেশী কি-বোর্ড শর্টকাট জানা দরকার। এখানে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য কিছু আবশ্যক পরিচিত কীবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল

  • স্ক্রিনশট নিতে Alt + print screen key শুধুমাত্র একটিভ উইন্ডো ক্লিপবোর্ডে কপি করে।
  • Alt + Tab চলমান প্রোগ্রামকে সার্কেল করে।
  • চলমান কোন প্রোগ্রাম কাজ না করলে Alt + Ctrl + Delete কী প্রোগ্রাম টাস্ক ম্যনেজারের মাধ্যমে বন্ধ করতে সাহায্য করে। সরাসরি টাস্ক ম্যানেজার কাজ করতে চাইলে Ctrl + Shift + Esc।
  • Windows + D সব উইন্ডো মিনিমাইজ করতে ব্যবহার করা হয়।
  • সিস্টেম ইনফরমেশন দেখতে Window + Pause/ Break
  • সেকেন্ড ডিসপ্লে অথবা প্রজেক্টর সেট করতে Windows + P ব্যবহার করতে হবে।
  • ফাইল নেম পরিবর্তন করতে আমরা রাইট ক্লিক করি কিন্তু F2 বাটন চেপে এই কাজ সরাসরি করা যায়।
  • Windows + L অন্য প্রোগ্রামের বিরক্তি থেকে বাঁচতে।
Run Programs On Infected Pc: ভাইরাসের কারণে কোন প্রোগ্রাম চালু না হলে নাম পরিবর্তন করে .exe দিলে চালু করা যাবে।
Private Browsing Window: ব্রাউজারে আপনি কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন তা গোপন করতে চাইলে
  • Ctrl + Shift + N নতুন প্রাইভেট উইন্ডো গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য।
  • Ctrl + Shift + P প্রাইভেট উইন্ডো মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার টিপস পর্ব - ১৩ আপনার কম্পিউটার কী অটো রিস্টাট নেয় ???? সমাধান !


সালাম সবাইকে। আসা করি ভালো আছেন। মাঝে মাঝে আমাদের কম্পিউটার অটো রিস্টাট হতে থাকে বার বার, এটি খুব বিরক্তকর একটি বিষয় আসলেই। তাহলে চলুন দেখি এর কিছু সমাধান এবং কারন সমুহ।
  • অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারনে
  • Ram এর কারনে
  • HardDisk এর কারনে
  •  USB এর কারনে
  •  অপারেটিং সিস্টেমের কারনে
  •  Hardware এর কারনে
  •  সফটওয়্যার ও গেমসের কারনে
  •  ভাইরাসের কারনে
এবার বিস্তারিত:
. অপারেটিং সিষ্টেমের জটিলতা :
অনেক সময় অপারেটিং সিষ্টেমে জটিলতা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিষ্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিষ্টার্ট হয়। উইন্ডোজের ডিফল্ট সিস্টেমে অপারেটিং সিস্টেমে কোনো সমস্যা হলে পিসি রিষ্টার্ট নেয়। ডিফল্ট সিস্টেম বন্ধ করতে মাই কম্পিউটারে ডান ক্লিক করে properties থেকে Advanced tab/Startup and Recovery/Settings অপশনে যান। এখন System Failure অপশনের অন্তর্গত Automatically Restart অপশন থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে Ok করুন।
রিস্টাট
বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের কারণেও পিসি রিষ্টার্ট নিতে পারে। এ জন্য পিসিতে সব সময় হালনাগাদ (আপডেট) অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। নিয়মিত রুটিন করে পিসি স্ক্যান করুন।
. হার্ডওয়্যারের সমস্যা:
নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সঙ্গে অসামঞ্জস্য হলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিষ্টার্ট নিতে পারে। এ জন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগস্থল চেক করে দেখুন, ঠিক আছে কিনা।
. নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টলের কারণে:
অনেক সময় কিছু সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারণে পিসি রিস্টার্ট নেয়। আপনার পিসির কনফিগারেশনের সঙ্গে যদি কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার, গেমস সামঞ্জস্যপূর্ন না হয়, তাহলে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বুঝেশুনে প্রোগ্রাম ইনস্টল করুন।
. হার্ডডিস্কের ক্রটি:
হার্ডডিস্কে ক্রটিপূর্ন সমস্যা দেখা দিলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে। ক্রটির কারণে হার্ডডিস্ক ডেটা রিড করতে পারে না। এর ফলে পিসি হ্যাং অথবা রিস্টার্ট হতে পারে। এ জন্য হার্ডডিস্ক স্ক্যান করে ক্রটিপুর্ন স্থান (ব্যাড সেক্টর) চিহ্নিত করতে পারেন।
কি ভাবে রিস্টার্ট বন্ধ করা যায়?
আপনার পিসি বুট, এবং উইন্ডোজ লোগো নেভিগেশন আসে আগে, বারবার টিপুন এবং বুট মেনু প্রদর্শিত না হওয়া পর্যন্ত F8 মুক্তি. সেফ মোড নির্বাচন করুন. টাইপ sysdm.cpl এবং sysdm.cpl নির্বাচন; উইন্ডোজ সেফ মোডে চালানো সম্ভব হলে, (উইন্ডোজ 8, অনুসন্ধান কবজ ব্যবহার এক্সপি ইন, স্টার্ট> রান এ ক্লিক করুন) স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন.
উন্নত ট্যাবে ক্লিক করুন, এবং (ডায়লগ বক্স এর অন্য দুটি “সেটিংগুলি” বাটন থেকে ভিন্ন) তারপর ‘প্রারম্ভ ও রিকভারি’ অধীন সেটিংস বাটন ক্লিক করুন. পুনরায় আরম্ভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আনচেক.
অনেক ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট করা যায়।
  •   মাউসর মাধ্যমে start থেকে turn off/restart -এ ক্লিক করে রিস্টার্ট করা যায়।
  •  কিবোডের্র মাধ্যমে windows বোতাম চেপে u চাপুন।
  •  তারপর r চাপতে হবে।(windows key+u+r) ।
  •  নির্দেশ বা কমান্ডের মাধ্যমে start থেকে run /shut down -r-t2 লিখে এন্টার দিতে হবে। অর্থ্যাৎ run এ গিয়ে
  •  রান এ shut down লিখে -r-t এরপর আপনার পছন্দমত সময় দিয়ে এন্টার পিসি বন্ধ বা রিস্টার্ট করা য়ায়।
বন্ধুরা এই ছিল আজকের পোষ্ট ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না ।…

কীভাবে কমপিউটারে মেইনটেনেন্সের অপরিহার্য টাস্কগুলো সম্পন্ন করা যায়


পিসি যত বেশি ব্যবহার হবে অর্থাৎ যত পুরনো হবে বা পিসিতে অবিরতভাবে যত বেশি ফাইল, প্রোগ্রাম, হার্ডওয়্যার ইত্যাদি যুক্ত ও অপসারণ করা হবে পিসি ততটা ধীরগতিসম্পন্ন এবং আস্থাহীন তথা কম নির্ভরযোগ্য কমপিউটারে রূপ নেবে।
কিন্তু এমনটি কেউ প্রত্যাশা করেন না। আর এ সত্য উপলব্ধিতে ব্যবহারকারীর উদ্দেশে টিপস স্টাইলের অবতারণা এ লেখার। এর মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে কীভাবে কমপিউটারে মেইনটেনেন্সের অপরিহার্য টাস্কগুলো সম্পন্ন করা যায়, যার ফলে পিসিকে যথাযথভাবে কার্যোপযোগী রাখা যায়। এই লেখায় উল্লিখিত টিপগুলো রপ্ত করতে কোনো বিশেষজ্ঞের জ্ঞান দরকার হয় না। এসব কাজের বেশিরভাগই কয়েক মিনিটে সম্পন্ন করা যায়। লক্ষণীয়, এ লেখায় উল্লিখিত টিপ বা টুকটাক ধারণাগুলো সব ব্যবহারকারীর জন্য অপরিহার্য তা নয়, তবে এ ধরনের কাজ সব ব্যবহারকারীর জানা থাকা দরকার। এ লেখাটির অবতারণা করা হয়েছে উইন্ডোজ ৭-এর আলোকে। কেননা, আমাদের দেশে এখনও উইন্ডোজ ৭ এবং এক্সপির ব্যবহারকারীই বেশি।
ধাপ-১ : একেবারে নতুন পিসির ক্ষেত্রে
একেবারে নতুন পিসির ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম এবং তাদের সংশ্লিষ্ট ফাইল খুব স্বাচ্ছন্দ্যে রান করতে তথা চলতে শুরু করে, কেননা সেগুলো স্পষ্টভাবে হার্ডডিস্কে একত্রে জমা হয়ে আছে। তবে আপনি হার্ডডিস্কে যত বেশি ডাটা অ্যাড, রিমুভ ও পরিবর্তন এবং পরিমার্জন করবেন, ডাটা তত কম অর্গানাইজ হতে থাকবে তথা বিশৃঙ্খল হবে। এর ফলে পিসির কার্যকর পারফরম্যান্স কমে যাবে। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে উইন্ডোজ ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশন টুল বা ডিফ্র্যাগ টুল। ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশন বা ডিফ্র্যাগ টুল ড্রাইভকে রিঅর্গানাইজ করতে পারে। এই টুল রান করার জন্য Start-এ ক্লিক করুন। এরপর Computer-এ (এক্সপিতে My Compuer) ক্লিক করে ড্রাইভ লেটারে ডান ক্লিক করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে C:\ হিসেবে লেবেল করা থাকে। এবার Properties সিলেক্ট করুন। এবার পরবর্তী সময়ে আবির্ভূত হওয়া স্ক্রিনের Tools ট্যাবে ক্লিক করুন। এরপর Defragment Now বাটনে ক্লিক করুন, যা Defragmentation সেকশনে অবস্থান করে। আপনি সঠিক ড্রাইভ সিলেক্ট করেছেন তথা হাইলেট করেছেন তা নিশ্চিত করুন এবং Defregment Disk বাটনে ক্লিক করুন আর এক্সপির ক্ষেত্রে Defragment-এ ক্লিক করুন প্রোগ্রাম চালু করার জন্য।
ধাপ-২ : মাঝেমধ্যে চেক করা
আপনার ডিস্ক যে যথাযথভাবে কাজ করছে তা মাঝেমধ্যে চেক করে দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি বিশেষভাবে সত্য পুরনো হার্ডডিস্কের জন্য। কেননা, দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বা অন্য কোনো কারণে এক সময় হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর দেখা দিতে পারে (হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর হলো হার্ডডিস্কের সেই অংশ, যা কোনো ফাংশন যথাযথভাবে কার্যকর করতে পারে না)। হার্ডডিস্কে কোনো এরর আছে কি না তা চেক করার জন্য Start-এ ক্লিক করে উইন্ডোজ ৭-এর ক্ষেত্রে Computer এবং এক্সপির ক্ষেত্রে My Computer-এ ক্লিক করে এরপর কাঙিÿত ড্রাইভে ডান ক্লিক করম্নন এবং Properties অপশন বেছে নিন। এরপর Tools ট্যাব সিলেক্ট করে Error-পযবপশরহম অপশনের অন্তগর্ত Check now বাটনে ক্লিক করুন। এর ফলে চেক ডিস্ক ডায়ালগ বক্স আবির্ভূত হবে, যেখানে দুটি টিক বক্স থাকবে, যার একটি হলো এরর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিক্স করার জন্য এবং অপরটি হলো ব্যাড সেক্টরের জন্য স্ক্যান করা। পুরোপুরি চেক এবং রিপেয়ার পারফরম করার জন্য স্টার্ট বাটনে ক্লিক করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে উভয় অপশনে টিক করা আছে।
ধাপ-৩ : প্রতিদিনের ব্যবহার
উইন্ডোজে প্রচুর পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় ফাইল পুঞ্জীভূত বা জমা থাকে। এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে বের করে সেগুলোকে ডিলিট করে ডিস্ক ক্লিনআপ নামে এক টুল। এ কাজ শুরু করার জন্য Start-এ ক্লিক করে Computer-এ (এক্সপির জন্য My Computer) ক্লিক করুন এবং যেসব ড্রাইভ স্পষ্ট করার দরকার সেগুলোতে ডান ক্লিক করুন। এবহবৎধষ ট্যাবের মধ্যে Disk Cleanup বাটনে ক্লিক করুন, যা নিচের দিকে পাই চার্টের ডানদিকে অবস্থান করে। এর ফলে ডিস্ক স্ক্যান হবে এবং রিপোর্ট ডিসপ্লে করবে। এরপর বিভিন্ন বক্সে টিক দিন যেগুলো ফাইল রিমুভ করার সংশ্লিষ্ট। এবার কোন ফাইলগুলো ডিলিট হবে তা চেক করার জন্য View Files বা (View Pages) বাটনে ক্লিক সংশ্লিষ্ট। এবার Ok-তে ক্লিক করুন। এই কাজটি শেষ হলে ফাইলগুলো ডিলিট হবে।
ধাপ-৪ : পিসির মেমরি চেক করা
মাঝেমধ্যে পিসির মেমরি চেক করে দেখা উচিত। উইন্ডোজ ৭ এবং ভিসত্মায় একটি বিল্টইন ডায়াগনস্টিক টুল রয়েছে, যেখানে অ্যাক্সেস করার জন্য Start-এ ক্লিক করে সার্চ বক্সে Windows Memory Diagnostic টাইপ করে এন্টার চাপুন। এই টুল রান করার জন্য কমপিউটারকে রিস্টার্ট করতে হবে। তবে পরবর্তী সময়ে পিসি রিস্টার্ট করলে এই টুল চালু করার জন্য অপশন পাবেন। উইন্ডোজ মেমরি ডায়াগনস্টিক টুলের কাজ শেষ হওয়ার পর উইন্ডোজ চালু হবে এবং কোনো এরর বা সমস্যা যদি শনাক্ত হয়, তাহলে আপনাকে নোটিফাই করবে। যদি সত্যি সত্যি এরর থাকে, তাহলে নতুন মেমরি মডিউল কিনে তা প্রতিস্থাপন করা উচিত। এই টুল এক্সপিতে বিল্টইন নয়। তবে একই ধরনের মাইক্রোসফট ইউটিলিটি ফ্রি ডাউনলোড করে নিতে পারেন www.snipca.com/x5134 সাইট থেকে।
ধাপ-৫ : পুরনো বা অনাকাঙিÿত প্রোগ্রাম দূর করা
আপনার পিসিতে ইনস্টল করা পুরনো বা অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক প্রোগ্রাম থাকতে পারে, যেগুলো হার্ডডিস্কের মূল্যবান স্পেস দখল করে আছে এবং পিসিকে কিছুটা ধীরগতিসম্পন্ন করেছে। যেমন : কিছু প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে উইন্ডোজের সাথে চালু হয়, আবার কিছু প্রসেস ব্যাকগ্রাউন্ডে রান করতে পারে। সুতরাং এমন অবস্থায় ভালো অভ্যাস হলো পিরিয়ডিক্যালি রিভিউ করা যে কোন কোন প্রোগ্রাম ইনস্টল হয়ে আছে। এ কাজ করার জন্য Start-এ ক্লিক করে Control Panel-এ ক্লিক করুন। এরপর Add/Remove Programs-এ ক্লিক করুন এক্সপির †ÿত্রে। আর উইন্ডোজ ৭ ও ভিস্তার ক্ষেত্রে Programs and Features-এ ক্লিক করম্নন। এবার ইনস্টল হওয়া প্রোগ্রামের লিস্ট ব্রাউজ করে দেখুন কোন প্রোগ্রামগুলো আপনার দরকার হবে না কখনও। এক্সপির ক্ষেত্রে জবসড়াব বা উইন্ডোজ ৭ ও ভিসত্মার ক্ষেত্রে Uninstall-এ ক্লিক করুন। কিছু প্রোগ্রাম আনইনস্টল করার পর আপনাকে কমপিউটার রিস্টার্ট করতে হবে।
ধাপ-৬ : উইন্ডোজের বিল্টইন আনইনস্টলেশন টুল
উইন্ডোজের বিল্টইন আনইনস্টলেশন টুল বেশ নির্ভরযোগ্য। তবে যদি কোনো প্রোগ্রাম সমস্যাযুক্ত মনে হয়, তাহলে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন রেভো নামে এক ফ্রি টুল। এই টুল ডাউনলোড করে ইনস্টল করম্নন এবং অ্যাপ্লিকেশনটি রান করুন। এবার সমস্যাযুক্ত প্রোগ্রামটি সিলেক্ট করে Uninstall বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আনইনস্টলের চারটি অপশনের একটি বেছে নিন। এগুলোর রেঞ্জ হলো সাধারণ স্ক্যান থেকে শুরু করে সব ধরনের ফাইল এবং প্রোগ্রাম সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি এন্ট্রি সার্চ করা। কোনো এন্ট্রি ডিলিট করার আগে আপনি রিভিউ করার সুযোগ পাবেন এবং এছাড়া একটি রিস্টোর পয়েন্টও সৃষ্টি হবে, যাতে সব পরিবর্তনকে রিভার্স করা যায়।
ধাপ-৭ : উইন্ডোজের কিছু আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট
উইন্ডোজে কিছু আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট রয়েছে, যেগুলো পিসির পারফরম্যান্সকে কিছুটা খর্ব করে। এসব ইফেক্টের কিছু কিছু অফ তথা বন্ধ করে রাখলে পিসির পারফরম্যান্সে তাৎÿণিকভাবে কিছু ভালা ফল দেবে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন অপশন দেখার জন্য Start-এ ক্লিক করে Computer-এ ডান ক্লিক করুন (এক্সপির ক্ষেত্রে My Computer) এবং Properties সিলেক্ট করুন। এরপর Advanced ট্যাবে ক্লিক করম্নন অথবা উইন্ডোজ ৭ ও ভিসত্মার †ÿত্রে Advanced System Settings লিঙ্কে ক্লিক করুন। এবার Performance সেকশনে Settings বাটনে ক্লিক করম্নন। এবার পারফরম্যান্স অপশন উইন্ডো ব্যবহার করুন, যা আর্বিভূত হয় স্বতন্ত্র ইফেক্ট বন্ধ করার জন্য। বিকল্প হিসেবে Adjust for best performance রেডিও বাটন বেছে নিন। এগুলো টার্ন অফ হবে। এবার Ok-তে ক্লিক করুন আপনার কাঙিÿত পরিবর্তনগুলো সাধিত হওয়ার পর।
ধাপ-৮ : অনেক প্রোগ্রাম সেট করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টার্টআপের জন্য
অনেক প্রোগ্রাম উইন্ডোজ চালু হওয়ার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিভাবে স্টার্টআপ হয়। যেমন : অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তবে অন্যান্য প্রোগ্রাম অপ্রয়োজনীয়ভাবে রিসোর্স ব্যবহার করতে থাকে। এ †ÿত্রে চেক করার প্রথম †ÿত্র হলো উইন্ডোজ স্টার্টআপ ফোল্ডার। এখানে অ্যাক্সেস করার সবচেয়ে সহজতম উপায় হলো প্রথমে Start-এ ক্লিক করে All Programs-এ ক্লিক করম্নন। এরপর স্টার্টআপ ফোল্ডার লোকেট করুন। এবার ফোল্ডার ডান ক্লিক করম্নন। এরপর Open সিলেক্ট করলে স্টার্টআপ উইন্ডো আবির্ভূত হয়। এ ফোল্ডারে যেকোনো প্রোগ্রাম বা শর্টকাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে। উইন্ডোজের লোডিংয়ের কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে এ ফোল্ডার থেকে যেটি অপসারণ করতে চান সেটি হাইলাইট করে Delete কী চাপুন। এর ফলে ওই প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় আর লোড হবে না।
ধাপ-৯ : স্টার্টআপ ফোল্ডারের লিস্টের বাইরের প্রোগ্রাম
বিস্ময়করভাবে কিছু প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় চালু হয়, যেগুলো স্টার্টআপ ফোল্ডার লিস্টের বাইরে। এগুলো দেখতে চাইলে সিস্টেম কনফিগারেশন টুল রান করুন। এক্সপির ক্ষেত্রে Start→Run-এ ক্লিক করে MSconfig টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। উইন্ডোজ ৭ এবং ভিস্তার ক্ষেত্রে Start-এ ক্লিক করে সার্চ বক্সে MSconfig টাইপ করুন এন্টার চাপার আগে। এবার Startup ট্যাবে ক্লিক করুন সব স্টার্টআপ আইটেম উন্মোচন করার জন্য। স্টার্টআপের সময় চালু হয় এমন আইটেম থামানোর উদ্দেশ্যে বক্সের টিক অপসারণ করার জন্য ক্লিক করুন। কোনো আইটেম অপসারণ করার আগে চেক করে দেখুন প্রতিটি আইটেম কিসের জন্য। প্রোগ্রামের নামের জন্য ওয়েব সার্চ পারফরম করলে সাধারণত উন্মোচিত হয় আইটেমটি কী কাজ করে। যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে ওই বিষয় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
ধাপ-১০ : উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি
পিসির রানিং অবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি। উইন্ডোজ কীভাবে কাজ করে সে সংশ্লিষ্ট এন্ট্রি রেজিস্ট্রি যেমন ধারণ করে, তেমনি ধারণ করে উইন্ডোজ কীভাবে এগুলো অপারেট করে এবং কনফিগারেশন সেটিংসসহ অন্যান্য ডাটা স্টোর করে। যাই হোক, এক সময় রেজিস্ট্রি বি†ÿপ্ত হয়ে পড়বে অ্যাপ্লিকেশনের এন্ট্রি দিয়ে যেগুলো আর কখনই ইনস্টল হবে না। কখনও কখনও এই এন্ট্রিগুলো পারফরম্যান্স ইস্যুতে পরিণত হবে, যাতে সবার উপরে থাকে। ব্যবহারকারীরা ইচ্ছে করলে বিশেষ ধরনের টুল ব্যবহার করতে পারেন, যেমন : Ccleaner। এই টুল ইনস্টল করার পর Registry বাটনে ক্লিক করুন। এরপর স্ক্যান করুন। স্ক্যান শেষ হওয়ার পর Fix selected isues-এ ক্লিক করুন। সিক্লিনার টুল বর্তমান রেজিস্ট্রিকে ব্যাকআপ করার সুযোগ দেবে। এর ফলে প্রয়োজনে কোনো অ্যাকশনকে আবার আগের ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।
ধাপ-১১ : ম্যানেজার অ্যাড-অনস
কোন ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করছেন, তা বিবেচ্য বিষয় নয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাড-অনস ইনস্টল করার †ÿত্রে। কেননা, এখানে প্রয়োজনীয় ফিচার থাকতে পারে। তবে আপনার ব্রাউজার পারফরম্যান্স যদি বিজ্জনকভাবে নেমে যায়, তাহলে ধরে নিতে পারেন এ ক্ষেত্রে প্রধান আসামী হলো একটি অ্যাড-অনস। ইন্টারনেট এক্সপেস্নারার ব্যবহারকারীরা অ্যাড-অনস ভিউ এবং ডিজ্যাবল করতে পারেন। এজন্য ব্রাউজার উইন্ডো ওপেন করতে হবে টুল মেনু থেকে Manage Add-ons-এ ক্লিক করে। ফায়ারফক্সেও অনুরূপ ফিচার রয়েছে, যা অ্যাক্সেস করা যায় Tools মেনু থেকে Add-ons-এ ক্লিক করে।
ধাপ-১২ : মাইক্রোসফট আপডেট
মাইক্রোসফট উইন্ডোজের জন্য আপডেট অবমুক্ত করে, যা সাধারণত সিকিউরিটির সাথে সম্পর্কযুক্ত। তবে কিছু কিছু বিষয় পারফরম্যান্সের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সুতরাং এজন্য উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট ফিচার অন থাকতে হয়। এজন্য এক্সপির স্টার্টে ক্লিক করে All Programs→Accessories→System Tools-এ ক্লিক করুন। এরপর Security Center-এ কিলক করতে হবে। পরবর্তী সময়ে আবির্ভূত উইন্ডোতে ‘Automatic (recommended)’ রেডিও বাটন যেনো সিলেক্ট করা থাকে তা নিশ্চিত করে এবং Ok-তে ক্লিক করুন। ভিসত্মা এবং উইন্ডোজ ৭-এর ক্ষেত্রে স্টার্টে ক্লিক করে সার্চ বক্সে উইন্ডোজ আপডেট টাইপ করে এন্টার চাপুন। এরপর Change Settings লিঙ্কে ক্লিক করে ইম্পরটেন্ট আপডেট সেকশনে ক্লিক করে বেছে নিন ‘Install Updates Automatically’ অপশন।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার টিপস পর্ব - ১২ মাউস বা ল্যাপটপের টাচপ্যাড অকেজো হয়ে পড়লে যা করবেন


কম্পিউটারের জন্যে মাউস একটি অতি গুরুতকপূর্ণ অংশ। মাউস ছাড়া কম্পিউটার কখনোই স্বয়ংসম্পূর্ণ না, আর ল্যাপটপের ক্ষেত্রে টাচপ্যাড ছাড়া স্বয়ংসম্পূর্ণ না। কম্পিটারের যাবতীয় কার্যের একটা বিশেষ অংশ করা হয়ে থাকে মাউসের সাহায্যে। কিন্তু হঠাত যদি মাউস বা ল্যাপটপের টাচপ্যাড কাজ না করে? তখন কি করবেন? নিশ্চয়ই নতুন মাউস কিনে ব্যবহার করবেন। কিন্তু ধরুণ আপনার অতি গুরুত্বপূর্ণ 

কাজ করা দরকার, অথচ এমন সময়ে মাউস কাজ করছে না, তখন কি করবেন? চিন্তার প্রয়োজন নেই অতি-প্রয়োজনীয় মুহুর্তে চাইলে আপনার কি-বোর্ড দিয়েই সেরে ফেলতে পারেন মাউসের যাবতীয় কাজ।

ড্যাফট লজিক অ্যারো মাউস খুবই ছোট্ট একটি সফটওয়্যার যার সাহায্যে মাউসের বা টাচপ্যাডের যাবতীয় কাজ খানিকটা হলেও কি-বোর্ডের মাধ্যমে করা সম্ভব। CTRL চেপে ধরে অ্যারো বাটন গুলো প্রেস করে আপনি মাউস কার্সর নড়াচড়া করাতে পারবেন। যারা অ্যারো বাটন কি চিনতে পারেননি তারা নিচের ছবিটি দেখে নিতে পারেনঃ

CTRL চেপে ধরে স্পেস প্রেস করলে তা মাউসের বাম বোতামে ক্লি করার মতো কাজ করবে আর CTRL চেপে ধরে Enter প্রেস করে ফাইল/ফোল্ডার খুলতে পারবেন।
সফটওয়্যারটি চালাতে কম্পিউটারে যা যা থাকা আবশ্যকঃ

১.উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম।
২.ডট নেট ফ্রেইমওয়্যার্ক।

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন এবং মাউস বা টাচপ্যাড ছাড়াই চালান আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।
পোস্ট সম্বন্ধে আপনার ভালো লাগা, মন্দ লাগা জানাতে ভুলবেন না কমেন্টে, কোন প্রকার সাজেশন থাকলে সেটাও জানাতে পারেন।

ল্যাপটপ ব্যবহারের ২৬ টি কার্যকারী টিপস

ল্যাপটপ সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে- নেটবুক, নোটবুক। যারা হাল্কা কাজ বা অনলাইনে কাজ করে থাকেন তারা সাধারনত নেটবুক ব্যাবহার করে থাকেন।  আর অপেক্ষাকৃত ভারী কাজ ও হাই গ্রাফিক্স এর গেমিং এর জন্য অনেকে নোটবুক কিনে থাকেন। শুধু ল্যাপটপ কিনে ব্যাবহার করলেই চলবে না। ব্যাবহার এর সাথে সাথে নিয়মিতভাবে এর যত্নও নিতে হবে। আপনার ল্যাপটপটি যাতে দীর্ঘদিন ঠিকভাবে সার্ভিস দিতে পারে সে জন্য কিছু টিপস মেনে চলা উচিত। এতে করে ল্যাপটপের পারফরমেন্স ভাল থাকবে। 

ল্যাপটপ ব্যবহারের টিপসঃ

  • ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারি থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারি আয়ু কমে যাবে।
  • ব্যাটারিতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
  • মাঝে মাঝে ব্যাটারির কানেক্টর লাইন পরিষ্কার করুন।
  • ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
  • দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।
  • হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারণ সিডি/ডিভিডি র‌্যাম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
  • এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন ও সহজে বাতাস চলাচল করে এমনভাবে ল্যাপটপ রাখুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
  • শাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
  • ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।
  • হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ-এর মেইনটেন্যান্সে কোনো কাজ করবেন না।
  • অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
  • মাঝে মাঝে মেমোরি ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimi“er, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
  • আপাতত দরকার নেই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।
http://cdn1.mos.techradar.futurecdn.net//art/laptops/Sony/Sony%20Vaio%20Duo%2011/Sony%20Vaio%20Duo%2011%20front-580-100.jpg
  • ল্যাপটপ এর উপর ময়লা পরলে তা পরিষ্কার করা যেই কাজটা আমরা অনেকেই করি না। আর অবশ্যই সঠিক পরিস্কারক দ্রব্য ব্যবহার করা উচিত।
  • ল্যাপটপের কি বোর্ড ও মাউস এর পরিবর্তে এক্সটারনাল কি বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করা। এতে করে ল্যাপটপের কিবোর্ড এবং মাউস প্যাড ভাল থাকবে দীর্ঘ দিন।
  •  ল্যাপটপে বেশি গ্রাফিক্সের গেমস না খেলা, এতে করে ল্যাপটপ খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায় যা ভেতরের অন্যান্য যন্ত্রপাতির জন্য ক্ষতিকারক।
  •  ল্যাপটপে যথা সম্ভব ছোট সাইজের সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত।
  • ল্যাপটপ য়থা সম্ভব কম সময়ের জন্য চালানো উচিৎ।
  • সরাসরি তাপ থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখা উচিত।
  • ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের ওপর রেখে অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। 
http://news.cnet.com/i/bto/20080806/Apple_MacBook_black_540x320.jpg
  •  ল্যাপটপে বিল্ট-ইন কিছু ডিভাইস আছে যেমন : ব্লু-টুথ, ওয়াই-ফাই, ইনফ্রারেড ইত্যাদি। প্রয়োজন না থাকলে ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখুন। এতে ব্যাটারির শক্তি খরচ কম হবে। 
  • ল্যাপটপ বহনে ল্যাপটপের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করুন। এসব ব্যাগ ল্যাপটপকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়া ভ্রমণে ল্যাপটপ বহন করার জন্য কাঁধে ঝুলানোর সুবিধাযুক্ত ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে বহনে সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি সুবিধা হলো, বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না যে আপনি ল্যাপটপ বহন করছেন। তাই ছিনতাইকারীর দৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে পারেন। 
  • ল্যাপটপে গেম খেলা বা কোনো কিছু টাইপ করার জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুন। কারণ, এসব ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহারে ল্যাপটপের টাচ প্যাড এবং কি-বোর্ডের আয়ু কমে যেতে পারে। 
  • ঘরে বা বাইরে বিদ্যুত্ ব্যবহারের সুবিধা আছে এমন স্থানে সরাসরি বিদ্যুত্ ব্যবহারের মাধ্যমে ল্যাপটপ চালান। ল্যাপটপের ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট আয়ু আছে। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার চার্জ হওয়ার পর এই ব্যাটারিটি নষ্ট অর্থাত্ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়।
  • ল্যাপটপের এয়ার ভেন্টটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। কারণ এয়ার ভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলে প্রচুর তাপ উত্পন্ন হবে, যা ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর। খাবার ও পানীয় থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুন। না হলে অসাবধানতাবশত ল্যাপটপের ওপর পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 
  • ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত। আপনার চোখের সুবিধার জন্য স্ক্রিনের লাইট আপনার চোখের সঙ্গে মানানসই করে রাখুন। মনে রাখবেন, এমন হাই কালার দিয়ে রাখবেন না যেটি আপনার চোখের সহ্যের বাইরে। প্রয়োজনে ঋষীঁ নামের একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার দিয়ে এ কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারেন।