Showing posts with label উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস. Show all posts
Showing posts with label উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস. Show all posts

শ্রেষ্ঠ কম্পিউটার টিপস ও ট্রিকস যা প্রত্যেকেরই জানা দরকার ।


কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই তাদের কম্পিউটারের দক্ষতা উন্নত করার সর্বশেষ টিপস এবং ট্রিকস জানতে চান। কিছু ব্যবহারকারী আগ্রহ দেখান না কিন্তু এই সাধারণ ট্রিকস প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য খুবই সহায়ক। এই কৌশলগুলি আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবেনা শুধুমাত্র নীচের টিপস ও ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে।
God Mode: এটি উইন্ডোজ হিডেন ফোল্ডার, গড মোড ফোল্ডার আপনাকে ফোল্ডারের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ প্যানেল দেয় যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম সেটিংস এবং VPN সেটিংস, ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সবকিছু অপটিমাইজ করতে পারেন। এই ফোল্ডার তৈরি করতে
  • নতুন একটি ফোল্ডার তৈরি করে রিনেম করতে হবে God Mode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C} এটি দিয়ে।
  • স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোল্ডার এর কন্ট্রোল প্যানেল আইকন পরিবর্তন করবে।
  • এখন আপনি আপনার উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর যেকোন সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন।
Problems Step Recorder: সিস্টেম এরর রেকর্ড করার একটি হ্যান্ডি টুল হল স্টেপ রেকর্ডার। কোন সমস্যা হলে কারিগরি সহায়কের সঙ্গে পরামর্শ দরকার হলে প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার আপনার সমস্যার রেকর্ড রাখবে পিসিতে। সাহায্যের জন্য সকল সমস্যার স্ক্রিনশট রাখে এটি। সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্যকারী ব্যক্তির কাছে তথ্য পাঠাতে সাহায্য করবে এটি। প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে
  • উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করে run টাইপ করুন
  • রান বক্স ওপেন হলে psr টাইপ করতে হবে এবং ok বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • এবার প্রবলেম স্টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারবেন।
সর্বাধিক পরিচিত কি-বোর্ড শর্টকাট: পিসি সহজে চালানোর জন্য ব্যবহারকারীকে বেশী বেশী কি-বোর্ড শর্টকাট জানা দরকার। এখানে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য কিছু আবশ্যক পরিচিত কীবোর্ড শর্টকাট দেয়া হল

  • স্ক্রিনশট নিতে Alt + print screen key শুধুমাত্র একটিভ উইন্ডো ক্লিপবোর্ডে কপি করে।
  • Alt + Tab চলমান প্রোগ্রামকে সার্কেল করে।
  • চলমান কোন প্রোগ্রাম কাজ না করলে Alt + Ctrl + Delete কী প্রোগ্রাম টাস্ক ম্যনেজারের মাধ্যমে বন্ধ করতে সাহায্য করে। সরাসরি টাস্ক ম্যানেজার কাজ করতে চাইলে Ctrl + Shift + Esc।
  • Windows + D সব উইন্ডো মিনিমাইজ করতে ব্যবহার করা হয়।
  • সিস্টেম ইনফরমেশন দেখতে Window + Pause/ Break
  • সেকেন্ড ডিসপ্লে অথবা প্রজেক্টর সেট করতে Windows + P ব্যবহার করতে হবে।
  • ফাইল নেম পরিবর্তন করতে আমরা রাইট ক্লিক করি কিন্তু F2 বাটন চেপে এই কাজ সরাসরি করা যায়।
  • Windows + L অন্য প্রোগ্রামের বিরক্তি থেকে বাঁচতে।
Run Programs On Infected Pc: ভাইরাসের কারণে কোন প্রোগ্রাম চালু না হলে নাম পরিবর্তন করে .exe দিলে চালু করা যাবে।
Private Browsing Window: ব্রাউজারে আপনি কোন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন তা গোপন করতে চাইলে
  • Ctrl + Shift + N নতুন প্রাইভেট উইন্ডো গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্য।
  • Ctrl + Shift + P প্রাইভেট উইন্ডো মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য।

Windows 8,8.1 এর activator সমস্যা এবং সমাধান


উইন্ডোজ ৮ এবং ৮.১ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই, মাইক্রোসফটের নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানি। গত বছর মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ এর নকশায় বড় ধরনের পরিবরতন করে উইন্ডোজ ৮ রিলিজ করে, এই নকশায় স্টার্ট বাটন থেকে শুরু করে ডট নেট ৩.৫ সহ আর অনেক কিছু বাদ দিয়ে দেয়া হয়, এবং সিকিউরিটি তে আনা হয় অনেক পরিবর্তন। স্টার্ট বাটন/মেন্যু আর ডট নেট ৩.৫ না থাকায়, ইন্টারফেস পরিবর্তনের কারনে কিছুটা জটিল অবকাঠামোর জন্য শুরুতে ইউজারদের কঠোর সমালোচনার মুখে পরতে হয় মাইক্রোসফট কে। তবে উইন্ডোজ ৮ এর শক্তিশালী সিকিউরিটি আর দুর্দান্ত পারফর্মেন্স এর কাছে সেসব সমালোচনা চাপা পরে যায়। জনপ্রিয় হয়ে ওঠে উইন্ডোজ ৮।এবছরের ১৭ অক্টোবর মাইক্রসফট উইন্ডোজ ৮ এর নতুন সংস্করণ৮.১ রিলিজ করে। নতুন ফিচারস,ইজি বুটিং, উন্নত সিকিউরিটি আর দ্রুত প্রসেসিং এর জন্য উইন্ডোজ ৮.১ বর্তমানে সবারই প্রিয়।



windows ৮/৮.১ এর আরও অনেক সুবিধা আছে যেগুলো আগের অপারেটিং সিস্টেম গুলোতে নাই। আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে এর ডিফল্ট এপ্স গুলো, অনেকের কাছে এটাকে ঝামেলা মনে হতে পারে। স্বাভাবিক , একেক জনের চয়েস একেক রকম হবে এটাই ভাল ।


এত ভাল গুনাবলি থাকার পরও এই নতুন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে ঝামেলায় পরেন নি, এমন ইউজার খুব কম আছেন। আর এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে না পেরে অনেকেই চলে গেছেন আগের পুরোনো উইন্ডোজে ।


সমস্যা এবং সমাধানে যাওয়ার আগে বলে নেওয়া ভাল যে, উইন্ডোজের আগের ভার্সন গুলো যে কার্নেল উপর ভিত্তি করে করে নির্মাণ করা হয়েছিল, উইন্ডোজ ৮/৮.১ সম্পূর্ণ ভিন্ন কার্নেল ব্যাবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে। তাই আপনাকে কিছুটা পরিবর্তন মানসিকতা নিয়ে এগুতে হবে।



সমস্যা নাম্বার একঃ windows activation:

সমাধানঃ


উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৯ হয়ে যান SUPER COMPUTER USER


পিসি চালানোর সময় আমাদের বেসির ভাগ ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি কাজ করতে হয় । কী বোর্ড এর shortcut গুলো জানা থাকলে কাজ করা যেমন তাড়াতাড়ি হয় তেমনি সহজও হয় । তো ………

আসুন জেনে নেই keyboard এর কিছু অতি প্রয়োজনীয় shortcut

F1 key ( সাহায্য পাওয়ার জন্য )
F2 key (রিনেম বা পুনর্নাম নির্ধারন)
F3 key (সার্চ )
F4 key ( ঠিকানা বা এড্রেস বার দেখা )
F4 key (সক্রিয় তালিকা থেকে আইটেমগুলো দেখা )
F5 key ( রিফ্রেস/ বিদ্যমান উইন্ডো আপডেট করা)
F6 key ( ডেস্কটপ বা বিদ্যমান উইন্ডোর আইটেমগুলোতে ঘুরাফিরা করা)
F10 key (সক্রিয় প্রোগ্রামের মেনু বার সক্রিয় করার জন্য )
CTRL+A (একই উন্ডোর সবকিছু একসাথে বাছাই বা সিলেক্ট করার জন্য)
CTRL+C (কপি করুন)
CTRL+X (কাট করুন)
CTRL+V ( পেস্ট করুন )
CTRL+Z (আগের অবস্থায় ফিরে যান)
CTRL+SHIFT (শর্টকাট তৈরি করা)
CTRL+RIGHT ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের শব্দে নেয়া)
CTRL+LEFT ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের শব্দে নেয়া)
CTRL+DOWN ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের অনুচ্ছেদে নেয়া)
CTRL+UP ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের অনুচ্ছেদের প্রথমে নেয়া)
CTRL+TAB (বিদ্যমান ট্যাবগুলো নড়াচড়া করা)
CTRL+ESC (স্টার্ট মেনুতে ফিরে যাওয়া )
CTRL+SHIFT+TAB (ট্যাবগুলোতে ঘুরাফিরা করার জন্য)
CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (টেক্সটকে হাইলাইট করা)
SHIFT+TAB ( অপশনগুলোর পেছনে যাওয়া)
SHIFT with any of the arrow keys ( একই উইন্ডোতে একসাথে অনেকগুলো আইটেমকে বাছাই বা সিলেক্ট করা)
SHIFT+DELETE (বাছাইকৃত উপাদানগুলো permanently মুছে ফেলা)
SHIFT+F10 ( বাছাইকৃত আইটেমগুলোর জন্য শর্টকাট মেনু দেখা )
ALT+ENTER ( বাছাইকৃত আইটেম এর প্রোপার্টিজ দেখা )
ALT+F4 ( চলমান কোন প্রোগ্রাম বা বিদ্যমান উইন্ডো বন্ধ করা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর শর্টকাট ওপেন করা )
ALT+TAB ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে মুভ করা )
ALT+ESC ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে ঘুরাফিরা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর জন্য সিস্টেম মেনু )
ALT+Underlined letter in a menu name ( সংশ্লিষ্ট মেনু দেখা )
Dialog Box (কীবোর্ড শর্টকাট)
BACKSPACE ( আগের মেনুতে ফিরে যাওয়া)
ESC ( সম্প্রতিক কাজ শেষ করা )

Accessibility Keyboard Shortcuts

HOME (সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
END ( সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
Windows Logo +U (ইউটিলিটি ম্যানাজার অন করা )
SHIFT five times (স্টিকি কী অন বা অফ করা )
Right SHIFT for eight seconds ( ফিল্টার কী অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (হাই কন্ট্রাসট অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK ( মাউস কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK for five seconds (টুগল কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK+Asterisk sign (*) (নির্বাচিত ফোল্ডারের মধ্যের সব সাব-ফোল্ডার দেখা )
NUM LOCK+Plus sign (+) (নির্বাচিত ফোল্ডারের সকল কন্টেন্ট দেখা )
NUM LOCK+Minus sign (-) (নির্বাচিত ফোল্ডারটি minimize করা )

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৮ My computer এর Properties অপশন হাওয়া করে দিন !


আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে My computer এর Propertiesঅপশন Remove করে দেওয়া যায়। যদি এ বিষয়ে জেনে থাকেন তবে দুঃখিত । যারা জানেন না তাদের জন্য এ পোস্ট
চলুন এবার শুরু করা যাক।

০১. প্রথমে Run এ যান ০২. regedit লিখে Enter বাটন চাপুন ।

০৩. এবার রেজিস্ট্রি এডিটর উইন্ডো খুলবে

০৪. এবার বাম পাশ থেকে current user=>Software=>Microsoft=>Windows=>Current Version=>policies=>explorer এ যান

০৫. এবার ডান পাশে Right button ক্লিক করে new=>DWORD এ ক্লিক করুন

০৬. এবার ফাইল টির নাম পরিবরতন করুন No propertiesMycomputer নামে।০৭. তারপর ফাইল টা তে ডাবল ক্লিক করে Value 1 করে দিন।

০৮. এবার রিস্টার্ট করে দেখুন আপনার My computer এর Properties অপশন নেই।

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৭ উইন্ডোজ ৭ সেটআপ দিতে পারেন না? আসুন !


বিসিমিল্লাহীর রহমানির রাহীম
আজকাল দেখা যায় যে, নিম্ম মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সমাজের প্রায় সকল স্তরের লোকেরাই কমবেশী ল্যাপটপ/কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন। সাধারণত কিছু দিন পর পরই এসকল ল্যাপটপ/কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে উইন্ডোজ সেটআপ/ইনিষ্টল দিতে হয়।
তবে বলতে হবে যে, এখন অনেকেই আছেন যারা উইন্ডোজ ৭ সেটআপ দিতে পারেন। কিন্তু যারা এখনো পারেন না তাদের জন্যই আমি এই বইটি লিখেছি।
সাধারণত উইন্ডোজ সেটআপ দেওয়া তেমন কোন কঠিন কাজ না। কিন্তু এখনোও অনেকেই আছেন, যারা পিসিতে/ল্যাপটপে উইন্ডোজ সেটআপ দিতে পারেন না। যার ফলে কিছু দিন পর পরই সার্ভিসিং সেন্টারে ধর্ণা দিতে হয়। ঢাকাতে আমার জানামতে বর্তমানে প্রতি পিসি/ল্যাপটপকে উইন্ডোজ সেটআপ দিতে হলেই সর্বনিম্ম বিল ৫০০/- টাকা। অথচ এই কাজটি আপনি ঘরে বসেই ৩০/৪০ টাকার একটি ডিভিডি ডিক্স ব্যবহার করে মাত্র এক থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যেই করে নিতে পারেন!
যারা এখনও উইন্ডোজ 7 সেটআপ দিতে পারেন না তাদের জন্য আশা করিছি নিচের বইটি দারুন উপকারে আসতে পারে।
Windows 7 installation সম্পর্কিত ‌এই বইটির নাম হল…… উইন্ডোজ 7 সেটআপের চিত্রসহ বিস্তারিত নিয়মাবলী
এটি একটি বাংলা ইবুক। এতে প্রচুর পরিমাণে স্ক্রীন শর্ট দেওয়া আছে যার ফলে Windows 7 installation বা সেটআপ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে ইনশআল্লাহ। বইটির ওজন মাত্র 400 কেবির মত :)
ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন….


উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৬ পাসওয়ার্ড না জেনেও বদলে ফেলুন windows 7 এর পাসওয়ার্ড


পাসওয়ার্ড না জেনেও Administrator এর পাসওয়ার্ড বদলিয়ে প্রবেশ করুন Windows 7 এ । তাহলে আসুন দেখি কিভাবে এটি করতে হয় ।
১। প্রথমে windows 7 এর Setup DVD/CD টি আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করান এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট করেন । রিস্টার্ট করার সময় যেকোনো কী চেপে DVD/CD টি Boot করেন আর একটি উইন্ডো আসবে সেখানে Repair Your Computer এ ক্লিক করেন ।
২। এখন Command Prompt এ ক্লিক করেন।
৩। Command Prompt ওপেন হলে নিচের লাইন টি লিখে Enter চাপুন ।
copy c:\windows\system32\sethc.exe c:\
(এখানে c এর স্থানে আপনার ঐ Drive এর Location দেখাবেন যেখানে আপনার Windows setup দেয়া আছে । যদিও ডিফল্ট হিসেবে c ই থাকে )
৪। Enter চাপার পর কপি হয়ে গেছে টাইপ মেসেজ আসবে । তখন আবার নিচের লাইন টি লিখে enter চাপুন ।
copy c:\windows\system32\cmd.exe c:\windows\system32\sethc.exe
enter চাপার পর অনুমতি চাবে তখন yes লিখে enter চাপুন । এটা হয়ে গেলে কপম্পিউটার রিস্টার্ট করুন ।
৫।রিস্টার্ট করার পর যখন পাসওয়ার্ড চাবে তখন তারাতারি করে ৫ বার shift চাপুন । এতে করে Command Prompt ওপেন হবে ।
৬।এবারে Command Prompt এ লিখুন net user geek MyNewPassword (মনে রাখবেন এখানে geek হল আমার ইউজার নেম তাই geek এর স্থানে আপনের ইউজার নেম হুবহু লিখবেন আর MyNewPassword হল আপনার নতুন পাসওয়ার্ড তাই MyNewPassword এর স্থানে আপনার কাঙ্ক্ষিত পাসওয়ার্ড টি লিখবেন ।)
এবার Command Prompt বন্ধ করে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে Log-In করুন ।

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৫ বিরক্তিকর উইন্ডোজের অটো আপডেট বন্ধ করে দিন চিরতরে।


সবাইকে সালাম জানিয়ে ৪ মাস পর আবারো ফিরে এসে শুরু করলাম আজকের সম্ভাব্য সস্তা মানের (যার জানেন তাদের জন্য) একটি টিউন। যেহেতু টিউনটি আমি করতিছি সেহেতু আমি নিজেকে টিউনার দাবী করতিই পারি, সত্যি কথা হলো টিউনটির জন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য হলেন টিউনার ”আবির আহমেদ ভাই”। কারন আমার আজকের টিউনটি উনারি একটি টিপ্স থেকে কপি করা যা আমি সাহায্য চাওয়ার পর উনি আমাকে সমাধানটি দিয়েছিলেন। আবির ভাই আপনাকে ধন্যবাদ। অনেক বক বক করে ফেললাম। এবার মূল কথায় আসি। উইন্ডোজের অটো আপডেটটা খুবি বিরক্তিরক একটা বিষয় (যারা ভুক্তভোগী তাদের জন্য)। যখনি আপনি কিম্পিউটার শাটডাউন দিতে যাবেন তখনি অটো আপডেট নিতে থাকে যা কিছু সময় ১৫-৩০ মনিটেরও অধিক সময় ধরে হয়ে থাকে। সবচেয়ে বড় সমস্যা আপনি এই সময় যদি সিপিও এর পাওয়ার বাটন দিয়ে কম্পিউটার অফ করতে চান সে ক্ষেত্রে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে যার ফলে নতুন করে উইন্ডোজ সেটাপ দিতে হয়। তাই উল্লেখিত সমস্যাটি কিভাবে সমাধান করবেন নিম্মে তার বর্ণনা করা হলো। প্রখমে টাস্কবারে রাইট বাটন ক্লিক করুন নিচের মত দেখবেন………………..
1
এবার আপনি start task manager এ ক্লিক করুন নিচের মত দেখবেন………………………………..
2
এবার আপনি services এ ক্লিক করুন নিচের মত দেখবেন……………………………….
3
এবার আপনি services এ ক্লিক করুন নিচের মত দেখবেন…………………………………..4

এবার এখান থেকে windows update এ ডাবল ক্লিক করুন নিচের মত দেখবেন………………………………..
5
এবার আপনি startup type থেকে disabled সিলেক্ট করে stop এ ক্লিক করুন তারপর apply এবং ok করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। আপনার সমস্যাটি চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে যতক্ষণ না পুনরায় উইন্ডোজ সেটাপ দিবেন।
তাহলে আজকের মত বিদায়, সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৪ উইন্ডোজ 8 Activator ১০০% নিশ্চিত


এর ফাইনাল ভার্সন এর চেয়ে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে এর উইন্ডোজ 8 activator, আমার ধারণা। আমিও খুঁজতে খুঁজতে পেলাম একটা। উইন্ডোজ 8 Activator ইন্সটল করে এ্যাকটিভেটর দিয়ে এ্যাকটিভেট করেছি। লক স্ক্রিন, স্টার্ট স্ক্রিন, ইউজার ইমেজ সহ সবকিছুই পরিবর্তন করা যায়। অফিসের কম্পিউটার এ ইন্সটল করেছি বলে স্ক্রিন সর্ট দিতে পারলাম না।
Windows 8 Pro with WMC ইন্সটল করা হয়েছে। উইন্ডোজ 8 Activator ইন্সটল শেষে এ্যাকটিভেটর টির .exe ফাইলে শুধু ডাবল ক্লিক করলেই হবে।
টরেন্ট ফাইল লিঙ্ক দিলাম, ফাইল সাইজ মাত্র ২.৩৮ মেগাবাইট। প্রথম টিউন, ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে পোস্টটি অনেকবার ভিজিট করার জন্য। আর এটি আমার করা এ্যাক্টিভেটর নয়। শুধু শেয়ার করলাম। শুধু শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ পেতে পারি যদি আপনারা মনে করেন। শুধুমাত্র আপনাদের জন্য মিডিয়াফায়ার এ এ্যাকাউন্ট খুললাম। দিলাম আপলোড করে।
মিডিয়াফায়ার লিংক: http://www.mediafire.com/?ylqma97y9jphmt6
AVG Virus Protection 2013 দিয়ে স্ক্যান করলে Trojan horse Generic30.LGA হিসেবে ডিটেক্ট করে।
উইন্ডোজ আপডেট করে দেখা হয় নাই।
উইন্ডোজ ৮ যে টরেন্ট ব্যবহার করে ডাউনলোড করা হয়েছে তার লিংক: http://kat.ph/windows-8-aio-16-in-1-rtm-msdn-original-thumperdc-t6772569.html
ফাইল সাইজ: ৪.৩৮ জিবি. ISO হিসেবে আছে। ভার্সনটি All-in-One.
আবারো ধন্যবাদ।

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ১৩ উইন্ডোজের গোপন সুবিধাগুলো জেনে নিই বিস্তারিত



সবাইকে সালাম জানিয়ে আমি আমার টিউনটি শুরু করচি। আমরা সবাই জানি কি বোর্ডের অনেক  সুবিধা আচে  কিন্তু আমরা সবাই জানিনা কিভাবে ব্যাবহার  করতে হয়। কিন্তু সম্প্রতি প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।কম্পিউটার চালানোর সময় প্রায় সবাই মাউসের সাহায্য নেন। কিন্তু উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এমনও বেশকিছু পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে শুধু কিবোর্ড ব্যবহার করেই আপনি বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন। সে প্রতিবেদনের আলোকে উইন্ডোজের কতিপয় গোপন সুবিধাগুলো তুলে ধরা হল।

1.টাস্কবার অ্যাপ্লিকেশন সিলেক্ট এবং ফোকাস করা
টাস্কবারের অ্যাপ্লিকেশন সিলেক্ট এবং ফোকাস করতে আপনার কিবোর্ডের উইন্ডোজ কি চেপে T চাপুন এবং অ্যারো কি অথবা বারবার T চাপুন। এ কাজটির করার ফলে মাউসের সাহায্য ছাড়াই আপনি পিন অ্যাপ্লিকেশনগুলো স্ক্রল করতে পারবেন।

2.কপি, পেস্ট এবং এবং ফাইল মুভ আনডু করা
আমরা অনেকেই জানি Ctrl+C, Ctrl+V  এবং Ctrl+X  ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসরে সহজেই কপি, পেস্ট ও কাট করা যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, এ কমান্ডগুলো ফাইলের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়। ফাইল কাট, কপি বা পেস্ট করতেও আপনি এ কমান্ডগুলোর ব্যবহার করতে পারবেন।

3.অ্যাপ্লিকেশন চালু করা
টাস্কবারে পিনড অবস্থায় রয়েছে এমন অ্যাপ্লিকেশন চালু করতে চাইলে উইন্ডোজ কি চাপুন এবং অ্যাপ্লিকেশনটির নম্বরভিত্তিক অবস্থান অনুযায়ী নিউমেরিক কি (১...৯) চাপুন। এ পদ্ধতিতে সহজেই আপনি কাক্সিক্ষত অ্যাপ্লিকেশনটি মাউস ছাড়া চালু করতে পারবেন।

4.অ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজ করা
একই অ্যাপ্লিকেশনের নতুন কোনো উইন্ডো বা নতুন কোনো ফোল্ডার ওপেন করতে হলে শিফট কি, উইন্ডোজ কি এবং নিউমেরিক অংশের ১ থেকে ৯ এর ভেতরের যে কোনো একটি নম্বর চাপুন। এতে আপনি কাক্সিক্ষত উইন্ডো বা ফোল্ডার ওপেন করতে পারবেন।

5.টাস্কবারে পিন করুন যে কোনো আইটেম
উইন্ডোজ ৭-এর টাস্কবারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাপ্লিকেশন পিন করা থাকে। কিন্তু আপনি যদি টাস্কবারে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার পিন করতে চান, তাহলে নিচের কমান্ডগুলোর সাহায্যে তা খুব সহজেই করতে পারবেন।
 #আপনার পছন্দের ফাইল বা ফোল্ডারটি ড্র্যাগ করে ডেস্কটপে নিয়ে আসুন।
 #এরপর রাইট কিক্ল থেকে নিউ এবং নিউ থেকে শর্টকাট সিলেক্ট করুন।
 # এক্সপ্লোরারে <C:shortcutsFavorites - ShortcutName.lnk>  টাইপ করুন।
 # পছন্দ অনুযায়ী শর্টকাটের একটি নাম দিন।
 # এখন দেখবেন যে আপনার শর্টকাটটি ফোল্ডারে পরিণত হয়েছে, যেটা আপনি চাইলেই রাইট ক্লিকের মাধ্যমে টাস্কবারে পিন করতে পারবেন।

6.কমান্ড অপশন চালু করা
কমান্ড অপশন চালু করার এ প্রক্রিয়াটি শুধু উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ ৭ এর জন্য প্রযোজ্য। কমান্ড অপশন চালু করতে শিফট-কি চেপে ফোল্ডারে রাইট ক্লিক করুন। এভাবে আপনি সহজেই কমান্ড অপশনটি চালু করতে পারবেন।

7.সিক্রেট “সেন্ড টু” মেনু
আপনি জানেন কি আপনার উইন্ডোজে গোপন একটি সেন্ড টু মেনু আছে? এ মেনুটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে শিফট কি চেপে ধরে যে ফোল্ডারটি সেন্ড করতে চাচ্ছেন তাতে রাইট ক্লিক করে সেন্ড টু মেনুটি সিলেক্ট করতে হবে। এ অপশনটির মাধ্যমে আপনি খুব অল্প সময়ে অনেক ফাইল স্থানান্তর করতে পারবেন।

8.পরিবর্তন করুন ডিফল্ট “সেন্ড টু” মেনু
আপনার ডিফল্ট সেটিংসে যেসব অপশন প্রদর্শিত হয়, তা যদি আপনি পরিবর্তন করতে চান তাহলে যে কোনো ফোল্ডারের বার লোকেশনে আপনাকে <shell:sendto>  টাইপ করতে হবে। এরপর আপনি নতুন ফোল্ডারের লোকেশনটি ড্র্যাগ এবং ড্রপ করতে পারবেন সহজেই।

9.সহজেই ওপেন করুন ফাইল অথবা ওয়েবপেইজ
রান কমান্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট ওপেন করা যায়। রান ডায়ালগ বক্সটি কি-বোর্ডে শর্টকাটে ওপেন করতে উইন্ডোজ কি + R  চাপুন। এরপর ডায়ালগ বক্সটি এলে আপনি যা চালু করতে চাচ্ছেন, তার নাম লিখে এন্টার চাপুন।

10.তৈরি করুন জিপ ফোল্ডার
বড় আকারের ফাইল স্থানান্তরের জন্য জিপ ফোল্ডার খুবই প্রয়োজনীয়। এটি ফাইলের আয়তন কমিয়ে দেয়। ফলে সহজেই ফাইলটি স্থানান্তর করা যায়। জিপ ফোল্ডার তৈরি করার জন্য সাধারণ ফাইলটিতে রাইট ক্লিক করুন এবং সেখান থেকে সেন্ড টু অপশন সিলেক্ট করুন। এরপর কমপ্রেসড ফোল্ডারের মাধ্যমে আপনার ফাইলটির আকৃতি কমিয়ে আনুন। ফাইল জিপ করার ফলে সহজেই তা আপলোড করা যাবে সবাই ভাল থাকবেন।

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব - ৫ ডেক্সটপ থেকে রিসাইকেল বিন সরিয়ে দেওয়ার উপায়



আমরা নানা কারণে মাঝে মাঝেই আমাদের বিভিন্ন ধরণের ফাইল বা ডকুমেন্ট delete করে থাকি। আর আমাদের সেই মুছে দেওয়া বিভিন্ন ধরণের ফাইল বা ডকুমেন্ট সাধারণত রিসাইকেল বিনে যেয়ে জমা হয়। আর রিসাইকেল বিন যেহেতু ডেক্সটপে থাকে সেহেতু প্রায়ই আমাদের প্রাইভেসি বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এ সমস্যা থেকে আমরা ইচ্ছা করলেই মুক্তি পেতে পারি এবং ডেক্সটপ থেকে খুব সহজেই রিসাইকেল বিনটি সরিয়ে দিতে পারি।
যা করনিওঃ-
প্রথমে run এ গিয়ে gpedit.msc লিখতে হবে। তারপর বামের মেনু থেকে User Configuration>Administrative Templates>Desktop নির্বাচন করতে হবে। এবার ডান পাশে যে অপশন গুলো দেখা যাবে, তা থেকে Remove Recycle Bin icon from desktop এ ডাবল ক্লিক করতে হবে। এবার মেনু থেকে এনাবল করে বেরিয়ে আসতে হবে।তারপর কম্পিউটারকে restart করলেই দেখা যাবে ডেক্সটপে আর রিসাইকেল বিন নেই।

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব -৪ মাত্র ১ মেগাবাইটে উইন্ডোজ এক্সপি সার্ভিস প্যাক ২

আসসালামুআলাইকুম, মহান আল্লাহ-তায়ালার রহমতে নিশ্চই সবাই ভালোই আছেন
এখন মোটামুটিভাবে সকলেই উইন্ডোস সেটআপ করতে পারে তাই XP সিডি কিন্তু কমবেশী সকলেরই এক প্রয়োজনীয় বস্তু। যদিও এখন Xp চাইতে আরোও ভালো অপারেটিং সিস্টেম আছ! কিন্তু যাই বলেন না কেন ভাই অফিসিয়াল বা ব্যবসায়ের কাজের জন্য আমার কাছে XP একটি অন্যতম অপারেটিং সিস্টেম। 

যদিও বাড়ীতে অন্য অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি। সুতরাং একথা অনস্বীকার্য যে "Xp এখনোও সর্বজন সমাদৃত ও বহুল ব্যবহৃত অন্যতম একটি অপারেটিং সিস্টেম।" তাই এর প্রয়োজনীয়তাও কিন্তু অপরিসীম।
তাই এর একটি হাই কমপ্রেস্ড কপি সংগ্রহ করলাম। এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করব ইনশআল্লাহ
এটির ওজন মাত্র ১ মেগাবাই প্রায় হয়তবা অনেকেই ভাবছেন আসলেই কি সম্ভব যে, মাত্র ১ এমবির এক্সপি? যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে ডাউনলোড করে দেখতে পারেন ডাউনলোড করা জন্য নিচের লিংকটিতে ক্লিক করুন।

 
https://www.dropbox.com/s/7auo2h8w5sthcs2/XP%20SP-2%20by_%20pahelpcarebd.blogspot.com.rar?dl=1 

প্রথমেই বলেছি এটি High Compressed file তাই এটিকে Extract করার জন্য WinRAR, 7zip প্রভূতি প্রয়োজন যদি আপনার কাছে WinRAR বা 7zip না থাকে তাহলে আপনাদের সুবিধার্থে ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংক গুলো ফলো করুন। ( খুবই কাজের সফটওয়্যার)

ভাই আমিওতো আপনারই মতই রক্তে-মাংসে গড়া একজন মানুষ। সুতরাং আমারওতো ভূল-ত্রূটি থাকতেই পারে তাই না? আল্লাহ হাফেজ।   

উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব -২ বাড়িয়ে ফেলুন ইন্টারনেট স্পীড


 আমাদের দেশে কম বেশি সবারই ইন্টারনেট স্পীড নিয়ে সমস্যা আছে যাদের ইন্টারনেট এর স্পীড খুব কম তাদের জন্য আমার এই ছোট নিবেদন আশা করি এই টিপস গুলো আপনাদের উপকারে আসবে বেশি কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।

এখানে ৩ টা ধাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এই ধাপ ৩ টা শেষ করলে আশা করি উপকার পাবেন।

ধাপ ১:
প্রথমে আপনার desktop এ অবস্থিত My Computer এর উপর right click করে Manage এ ক্লিক করুন এবার Device Manager এ ক্লিক করুন, ডান দিকে অবস্থিত Ports (COM & LPT) Option এ যান, এটা বর্ধিত করুন এবং Communication Ports নির্বাচন করুন এবং এর উপর Right Click করুন এবং এর Properties এ যান, এরপর Port Settings এ যান, এখানে অবস্থিত Bits per second কে বর্ধিত করুন ৯৬০০ থেকে ১২৮০০০ পর্যন্ত এবং Flow control Option থেকে Hardware নির্বাচন করুন। OK click করে বেরিয়ে যান।

ধাপ ২:
নিচের কোড গুলো Notepad এ নিয়ে something.reg নামে save করুন। এবার something.reg ফাইল টা double click করে execute করুন(open করুন)। ok click করুন। কোডঃ REGEDIT4 [HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Servic es\Tcpip\Parameters] “SackOpts”=dword:00000001 “TcpWindowSize”=dword:0005ae4c “Tcp1323Opts”=dword:00000003 “DefaultTTL”=dword:00000040 “EnablePMTUBHDetect”=dword:00000000 “EnablePMTUDiscovery”=dword:00000001 “GlobalMaxTcpWindowSize”=dword:0005ae4c

ধাপ ৩ :
উইন্ডোজ ২০% Bandwidth সংরক্ষন করে রাখে এই ২০% খালি করলে স্পীড আরও একটু বাড়বে এখন Start এ click করে Run এ লিখুন gpedit.msc এরপর ok দিন এরপর Local Computer Policy এর Under এ অবস্থিত Computer Configuration এ যান এবং এরপর Administrative Templates এ যান। ডান দিক থেকে Network–>QOS Packet Scheduler এ জান,এখান থেকে Limit Reservable Bandwidth এর উপর double click করে open করুন, এরপর enable এ টিক দিয়ে ২০% থেকে ০% করে দিন।

ব্যাস কেল্লা খতম………আর উপভোগ করুন আগের চেয়ে বেশি স্পীড।

ভিডিও টিউটোরিয়াল



উইন্ডোজ সিস্টেম টিপস পর্ব -১ উইন্ডোজ ৭ জেনুইন করুন ১ মিনিট-এ


১- স্টার্ট মেনু তে CMD  সার্চ করুন

২- cmd কে run as administrator দিয়া ওপেন করুন

৩- টাইপ>>> SLMGR -REARM

৪- এন্টার চাপুন ......... পিসি রিস্টাট দিন

বি : দ্র : আপনার pc তে windows 7 নট জেনুইন কপি রানিং থাকতে হবে
ধন্যবাদ সবাইকে ... সবাই ভালো থাকবেন ...আর চেষ্টা করুন প্রতিদিন অন্তত একটা ভালো কাজ করবার