Showing posts with label সার্চ ইঞ্জিন. Show all posts
Showing posts with label সার্চ ইঞ্জিন. Show all posts

search engine optimization Blog এ ট্রাফিক বাড়াতে প্রয়োজনীয় টিপস

search engine optimization
Bloging করছেন বা শুরু করবেন এমন অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চান কিভাবে Blog এ ভিজিটর বাড়ানো যায়। যারা এই পেশায় আছেন বা Blogging শুরু করতে চান আশাকরি তাদের কাজে লাগবে।









১. নিয়মিত ইউনিক কনটেন্ট (Unique Content) প্রকাশ করুন।
২. ব্লগকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে (Like Google, Bing,Yahoo)Submit করুন।
৩. ব্লগরোল ব্যবহার করুন ও Update রাখুন।
৪. নিজের এবং Related অন্য ব্লগে কমেন্ট (Blog Comment)করুন ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিন।
৫. ব্লগের RSS Feed সেটিং করুন।
৬. লিংকস ও ট্রাকব্যাক ব্যবহার করুন।
৭. প্রতিটি পোস্টে অবশ্যই Tag ব্যবহার করুন।
৮. বিভিন্ন Social Bookmarking সাইটে আপনার পোস্ট Submit করুন।
৯. সার্চ ইঞ্জিনের থেকে ট্রাফিক আনার জন্য মেইন কিওয়ার্ড (Keyword) ও রিলেটেড কিওয়ার্ড অনুয়ায়ী পোস্ট লিখুন।
১০. ছবি দিতে ভুলবেন না।
১১. গেস্ট ব্লগিং (Guest Blogging) করুন এবং আপনার ব্লগে গেস্ট ব্লগিংয়ের সুযোগ রাখুন।
১২.Forum, ওয়েব রিং ও অনলাইন গ্রুপে যোগাযোগ সংযুক্ত থাকুন।
১৩. ইমেইল সিগনেচার, বিজনেস কার্ডের মাধ্যমে ব্লগ Promote করতে পারেন।
১৪. আপনার ব্লগে নির্দিষ্ঠ মেয়াদে ব্লগিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করুন।
১৫. অফলাইনে (offline) বিভিন্ন মানুষের সাথে শেয়ার করুন।


CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


১০ টি সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সাবাই আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা যে টপিক টা নিয়ে আলোচনা করব সেটা হলো সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট নিয়ে। বর্তমান সময়ে ওয়েব জগতে সোশ্যাল বুকমারকিং আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন এর মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর প্রসার ঘটাতে পারেন। তো চলুন এরকমি সেরা ১০ টি সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট এর সাথে আমরা আজ পরিচিত হব।
Delicious.com এই সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট খুবই ভালো একটি সাইট। এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর সকল কিছু এখানে শেয়ার করতে পারেন। Delicious.com সাইট টা টপ লেবেলের একটি বুকমারকিং সাইট। যেখানে আপনার মনের মত করে সব কিছু করতে পারেন
এখন যে সোশ্যাল বুকমারকিং সাইটির সম্পর্কে আমরা জানব সেটা হল Stumbleupon.com এই বুকমারকিং ওয়েবসাইটি খুবিই জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল সাইট। এখানে আপনি নানা ভাবে আপনার ওয়েব সাইটের প্রচার করতে পারেন। আশা করি আপনাদের এই সোশ্যাল সাইট টা ভাল লাগবে।
৩। Digg.com
Digg.com এই সোশ্যাল বুকমারকিং সাইটা বেশ পুপুলার একটি বুকমারকিং সাইট এখানে আপনি আপনার নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারেন এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ সব সামাজিক তথ্য সবাই এখানে প্রকাশ করে।
৪। Reddit.com
রেডিট ডট কম একটি খুব জনপ্রিয় সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট। অনেক লোক এই সাইটি ব্যাবহার করেন তাদের ওয়েব এর প্রচার করার জন্য। এবং এই সাইটি থেকে আপনি অনেক ভিজিটর পাবেন আপনার নিজের ওয়েবসাইটে।
গুগল বুকমার্ক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট খুব বেশি এটা ব্যাবহার করে থাকে টেক প্রেমিরা আপনি ও আপনার ওয়েব সাইট এর জন্য এখানে কাজ করতে পারেন।
৬। Fark.com
Fark.com একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট। এই সাইটে আপনি খুব ভালো ভাবে আপনার ওয়েব এর কাজ করতে পারেন এবং মার্কেটিং করতে পারেন
৭। Faves.com
এখন যে সোশ্যাল বুকমারকিং সাইট এর সম্পর্কে জানব এটা খুব পপুলার একটি বুকমারকিং সাইট। আপনার যে কোন ধরনের অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য এখানে কাজ করতে পারবেন।
৮। Diigo.com
Diigo.com বর্তমান সময়ে অনেক ভাল একটি বুকমারকিং সাইট আপনার ওয়েব সাইটের প্রচার কিংবা প্রসার করার জন্য সামাজিক যে কয়টি মাধ্যম আছে এর ভিতর Diigo.com একটি অন্যতম। আপনি চাইলে এখানে কাজ করতে পারেন
এখন যে সোশ্যাল বুকমারকিং সাইটির কথা আমরা জানব সেটা হলো Icerocket.com এই বুকমারকিং সাইটা বেশ নাম করেছে।এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর প্রচার করতে পারেন।
১০। aol.com
সবশেষে আমরা যে সোশ্যাল বুকমারকিং সাইটের নামটা জানলাম সেটা হলো aol.com এই সাইটের ভিতর আপনি নানা ধরনের তথ্য পাবেন। আপনার লাইফ স্টাইল, বিনোদন, খেলাধুলা সহ আরো অনেক কিছু তো আপনি চাইলে এখানে এসে জয়েন করে আপনার ওয়েব সাইটির প্রচার করতে পারেন
আজ আর নয় আশা করি আপনাদের সকলের কাছে সোশ্যাল বুকমারকিং সাইটের কিছু পরিচিতি দিতে পেরেছি এবং আগামি আরো ভালো কিছু নিয়ে সবার সামনে হাজির হতে পারব সবাই ভালো থাকবেন
ধন্যবাদ
CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো   ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


search engine optimization শিখার জন্য দুটি বাংলা ইবুক ।

search engine optimization
বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের এমন একটি ইবুক দেবো যেটি প্রতিটি ওয়েবসাইট ব্যবহার কারির কাছে খুবি গুরুত্ব পূর্ণ একটি জিনিস । আজকে আমি আপনাদের SEO এস ই ও শিখার জন্য দারুন দুটি বই দেবো আমি আশাকরি আপনাদের বই দুখানি খুব কাজে দেবে । এবং আপনার এই বই থেকে SEO সম্পর্কে কিছুটা হয়ে ধারনা করতে পারবেন । তাহলে আর দেরি না করে নীচে থেকে ডাউনলোড করুন ।






লিঙ্ক আপডেট করা হয়েছে :- 08-1-2015





                                  SEO বাংলা ইবুক ১                        SEO বাংলা ইবুক ২



* উপরে দুটির মধ্যে ২ দুটি ইবুক এর লিঙ্ক আপডেট করে মিডিয়াফাইর লিঙ্ক দেওয়া হছে এবার ডাউনলোড করে নিন কোন সমস্যা ছাড়াই ।

* আশাকরি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হবে না  । কোন সমস্যা হলে জানবেন । এই ধরনের ইবুক পেতে এসো বন্ধুর সাথেই থাকুন ।

* তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত সামনে এই ধরনের আর ভাল ভাল ইবুক নিয়ে হাজির হবে ইনশাল্লাহ । ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।

কিভাবে ব্লগার ব্লগের পোস্ট ফটোকে SEO ফ্রেন্ডলি করবেন

Alt tag in blogger image better seo
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা , ব্লগার SEO খুবি গুরুত্ব পূর্ণ একটি বিষয় এটা সবাই যানে কিন্তু আমারা অনেকেই যানি না ব্লগারের অনেক হিডেন SEO টিপস আছে যেগুল ঠিক ভাবে নিয়মিত করলে আপনার ব্লগ সার্চ ইঞ্জিনে অবশ্যই একটা ভাল জাইগাই যাবে সেরকম আজকের এই টিপস । 

ব্লগিং করার সময় আমারা সবাই পোস্টে বিভিন্ন দরকারি ফটো ব্যবহার করি এখুন আপনি চাইলে সেই সব ফটো গুললির খুব সহজে সার্চ ইঞ্জিনে ভাল ফল পেতে পারেন বিশেষ করে গুগল ইমেজ বা ইয়াহু ইমেজ এ কেউ যদি কোন ফটো সার্চ করে এবং আপনি যদি আপনার ব্লগ ফটোকে ভাল ভাবে SEO করতে পারেন তাহলে অবশ্যই ভাল ফল পাবেন সঙ্গে ভিজিটর ও ভাল পাবেন । সেই রকম একটি ব্লগার ব্লগে অপশন আছে Alt ট্যাগ যার দ্বারা আপনি আপনার ব্লগ পোস্ট ফটোতে কিছু দরকারি কীওয়ার্ড দিতে পারবেন যেটা ইমেজ সার্চ ইঞ্জিনে খুবি গুরুত্ব পূর্ণ , আজকে আমি আপনাদের সেটাই দেখাব কিভাবে ফটোতে Alt ট্যাগ ব্যবহার করবেন ।


কিভাবে alt ট্যাগ ব্যবহার করবেন !



  • প্রথমে আপনি ব্লগার ড্যাশবোর্ড এ যান নতুন পোস্ট লিখতে শুরু করুন এবার ফটো আপলোড করুন এবার সেই ফটোতে ক্লিক করুন তাহলেই দেখুন একটা মেনু বারের মত অপশন আসবে সেখান থেকে Properties এ ক্লিক করুন ।

কিভাবে ব্লগার ব্লগের পোস্ট ফটোকে SEO ফ্রেন্ডলি করবেন

উপরের মত Properties এ ক্লিক করলেই আপনি একটি পপআপ পাবেন সেখানে title text: এর যাইগাই আপনার ব্লগ পোস্ট টাইটেলটি দিয়ে দিন এবং alt text: যাইগাই আপনি সেই ফটো সম্পর্কে কিছু কীওয়ার্ড লিখুন ।


imgae seo tips blogger blog


এক্ষেত্রে অবশ্যই বুঝে কীওয়ার্ড গুল দিবেন আশাকরি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনাকে কি বোঝাতে চেয়েছি তারা ছাড়া আপনি যদি চান ব্লগার বাদে যেকোনো প্লাট ফর্মে এই alt ট্যাগ ব্যবহার করবেন তাহলে নিচের alt ট্যাগ code ব্যবহার করতে পারেন সেটা Blogge বা Wordpress ও হতে পারে এটা আপনি কাস্টম ভাবে ব্যবহার করতে চাইলে HTML হিসাবে নিচের কোড গুল ব্যবহার করবেন আপনার পোস্টে ।



< img src ="আপনার ফটো URL" alt="আপনার ফটো alt ট্যাগ"></img>



ব্যাস হয়েগেল আশাকরি পোস্টটি বুঝতে কোন রকম সমস্যা হলনা কোন রকম সমস্যা হলে অবশ্যই আমাকে নিচে কমেন্ট করতে পারেন পোস্টটি কোন ভুল হলে অবশ্যই ধরিয়ে দিবেন । ভাল লাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন । ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।



search engine optimization tools না দেখলে মিস করবেন


আমরা সবাই কম বেশি এস ই ও সম্পর্কে জানি আমরা প্রায় সময় জানার চেষ্টা করি আমাদের ওয়েব সাইটের বেকলিঙ্ক কয়টা সব গুলো কি ডু ফলো কি না ইত্যাদি তাছাড়া আরও জানার চেষ্টা করি আরটিকেল গুলি ঠিক আছে কি না কী ওয়ার্ড গুলোর পজিশন কি গুগলে সাইটের অবস্থান কী ইত্যাদি আচ্ছা যদি এমন কোনো টুল পাওয়া যাইতো যেটা দিয়ে একি টিউন কে অন্য ভাবে লেখা সম্ভব হতো কি চমকে গেলেন নাকি যদি চমকে না যান তাহলে চমকে দিতেছি আজ আমি আপনাদের কে এমন একটি টুল এর সন্ধান দিব যেটা দিয়ে আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন যা আগে কখনো পারেন নাই ।

তো চলুন দেখি টুল টি তে কি কি আছে ...!

  •  Plagiarism Checker
  •  Article Rewriter Pro
  •  Keyword Position
  •  Online Ping Website Tool
  •  Backlink Checker
  •  Link Tracker
  •  Backlink Maker
  •  Google PageRank Checker
  •  Reverse IP Domain Checker
  •  Word Count Checker
  •  Domain Age Checker
  •  Website Page Speed Checker
  •  Websites Broken Link Checker
  •  Meta Tags Analyzer
  • আর ও অনেক কিছু  ।


চলুন তাহলে টুল টি থেকে ঘুরে আসি (এখানে ক্লিক করুন)



☞ কি কেমন দেখলেন চমকে দিলাম তো ?
আর হ্যা কে কি রকম চমকে গেলেন সেটা জানিয়ে টিউমেন্ট করবেন । আজ তাহলে এই খানেই শেষ করি ,সবাই ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ ।



ওয়াপসাইটের জন্য একদম ফ্রীতে ২০,০০০ বেকলিঙ্ক নিন

সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি । পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য । বর্তমান সময়ে ব্লগিং নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা সবারই কম বেশি আছে । একটা ব্লগ/ওয়েব সাইট ওপেন করলেই হবে না সাফল্যে দোরগোড়ায় পৌছানোর জন্য পরিশ্রম অবশ্যক  এই পরিশ্রম কেউ নিজে করছেন আমার কেউ 

টাকার বিনিময়ে অন্যকে দিয়ে করাচ্ছেন । যাহোক আমার পোস্টটি করার মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে ব্লগ/ওয়েব সাইট বিভিন্ন ডাইরেক্টরিতে সাবমিট করার বিষয়ে । আমাদের যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে সকলের জন্য ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ডাইরেক্টরিতে সাইট সাবমিট করতে হয় । আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কিছু ফ্রি সাইট সাবমিট ডাইরেক্টরি যা দ্বারা আপনাদের সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করতে পারবেন খুব সহজে ।

যারা এসইও নিয়ে কাজ করছেন তারা জানেন ব্লগ কমেন্ট লিঙ্ক বিল্ডিং করতে কতটা সাহায্য করে । তায় বলে যেমন তেমন ব্লগ থেকে বেকলিঙ্ক নিলেই হবে নাহ ।আমাদের ব্লগ বা ওয়েব সাইটের SEO করার জন্য অনেক সাইটে ব্যাকলিঙ্ক করতে হয় ।

তাই আজকে আমি আপনাদের ১টি বেকলিঙ্ক সাইট দিব



  1. BACKLINKGENERATOR
  2.  FREEAUTOBACKLINKS
  3. FREEBACKLINKCREATOR
  4. FREEBACKLINKSPRO
  5. IMPROVESEORANK
  6. IMTALK
  7. OFFICIAL.MY 
  8. PINGBOMB 
  9. SMALLSEOTOOLS
  10. STOPLINK
  11. WEBMASTERDECK



SEO Friendly Image optimization অবশ্যই জানতে এখানে আসেন

বর্তমানে Google এবং অন্যান্য Search Engine গুলোতে Website Ranking করতে Image Optimization এর ভূমিকা অনেক। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে Traffic বৃদ্ধি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই SEO Friendly Image optimization অবশ্যই জানতে হবে। 

একটি Website কে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য Image ব্যবহার করা আবশ্যক। আমরা সকলেই হয়তো জানি যে “Google Bot” এবং “Search Engine” কখনো Images, Flash files, Banners -এগুলো পড়তে পারেনা। এই Google Bot এবং Search Engine শুধু মাত্র Text পড়তে পারে। এই জন্য Images গুলতে “ALT text” ব্যবহার করতে হয়। এই Article-টি থেকে জানতে পারবেন কি ভাবে SEO Friendly Image optimization করতে হয়।

SEO FRIENDLY IMAGE OPTIMIZATION ধাপ গুলো নিচে আলোচনা করা হল-

  • Related Image

Website-এ সবসময় Related Image ব্যবহার করতে হয়। Related Image Website-এর সকল Article গুলোকে আর আকর্ষণীয় করে তোলে। এতে করে Website এ Visitor সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। Website এ Visitor সংখ্যা বৃদ্ধিতে Website-টি Search Engine-এ তার ranking বৃদ্ধি পায়।

  • Image file format

Image গুলোকে সাধারণত ৩টি Format এ দেখা যায়: GIF, JPEG এবং PNG। Website এ সবসময় JPEG এবং PNG Format এর Image গুলোকে ব্যবহার করতে হয়। GIF Format এর Image গুলোর Size অনেক বড় থাকে। যদি এই GIF Format এর Image গুলোকে File Size ছোট করা হয় তাহলে Image গুলোর Quality নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য Image Optimization এর সময় GIF Format এর Image গুলোকে ব্যবহার করা উচিৎ নয়। Website এ সবসময় JPEG এবং PNG Format এর Image গুলোকে ব্যবহার করা উত্তম কারন, JPEG এবং PNG Format এর Image গুলো GIF Format এর Image তুলনায় ২০% Size কম হয়। এতে করে Website এ Speed এ কোন সমস্যা হয়না।

  • Image size

একটি Website কে ভালোভাবে Optimization করতে Image size অনেক জরুরী। Small size image গুলো Website এর গতি বৃদ্ধি করে। আর আপনি যদি large size image ব্যবহার করেন সেটা Website কে অনেক Slow করে দেবে। যদি কোন Website loading নিতে ১০ সেকেন্ড বা এর বেশি সময় নেয় তাহলে সেই Website টি Search Engine-এ তার ranking হারাবে। এজন্য Image size যাচাই করে নেওয়া অনেক জরুরী।

“ALT text” ব্যবহার


প্রতিটি Image এর জন্য “ALT text” ব্যবহার করতে হবে। কারন Google bot  বা Search Engine গুলো কখনো Image পড়তে পারেনা, এরা শুধু মাত্র Text পড়তে পারে। এজন্য প্রতিটি Image-এ “ALT text” ব্যবহার করতে হয়। “ALT text” বা Alternate text Image Optimization এর গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এই “ALT text” Google bot এবং Search Engine এর কাছে Image কে বর্ণনা করে। এজন্য Search Engine গুলতে Website কে ranking করতে হলে “ALT text” ব্যবহার করা অনেক জরুরী।
এ ভাবে একটি Website এর Image গুলোকে Optimization করলে Search Engine এ ranking পাওয়া অনেক সহজ। Website কে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য Image এর গুরুত্ব অনেক। এজন্য SEO Friendly Image optimization ক্ষেত্রে উপরের পদক্ষেপ গুলো অবশ্যই করনীয়।
লেখক- মোঃ মাহমুদুল হোসেন হিমেল

যে কোন কিছু সার্চ করুন আরো সহজে ও দ্রুত



ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে গুগল সাধারনত গুগল সার্চ দিয়া আমরা খোজাখুজির কাজটাই বেশি করি । তবে কিছু ট্রিক্স জানা থাকলে একে আরো নানা কাজে ব্যবহার করা যায় ।

১. নির্দিষ্ট ফাইল সার্চ

বিভিন্ন ফাইল শেয়ারিং সাইটে সাধারনত সার্চ ইঞ্জিন থাকেনা । গুগল দিয়ে সেসব সাইটের ফাইল খুব সহজে সার্চ করতে পারবেন ।

মিডিয়াফায়ারের ফাইল সার্চ দিতে চাইলে প্রথম লিখুন Site:Mediafire.com  , তারপর স্পেস দিয়ে ফাইল টাইপের নাম লিখুন ( যেমন;mp3,zip ইত্যাদি)(একাধিক টাইপের ফাইল সার্চ করতে চাইলে নিচের উদাহরন দেখুন) স্পেস দিয়ে যা সার্চ করতে চান তা লিখুন।

ধরি আপনি মিডিয়াফায়ার থেকে আর্টসেলের গান সার্চ করতে চাচ্ছেন তাহলে লিখবেন,
Site:mediafire.com Mp3|wma|aac|wav “artcell
এভাবে যদি ভিডিও সার্চ করতে চান তাহলে ফাইল টাইপের জায়গায় লিখবেন,
asf|rm|avi|mp4|wmv|flv
জিপ ফাইল সার্চ করতে চাইলে,
zip|rar|7zip|tar
এপ্লিকেসনের জন্য লিখবেন,
exe
আর ইবুক এর জন্য লিখবেন,
pdf

২. নির্দিষ্ট গান সার্চ

গুগল সার্চ দিয়ে চাইলে বিভিন্ন ওয়েব সাইটের ইনডেক্স থেকে গান ডাউনলোড করতে পারবেন। এজন্য সার্চের শুরুতে লিখবেন intitle:”index.of” তারপর ফাইল টাইপের নাম লিখবেন স্পেস গানের / ব্যান্ডের/ শিল্পীর নাম লিখবেন । ধরি আপনি শিরনামহীনের গান ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তাহলে লিখবেন
, intitle:”index.of”(mp3|mp4|avi) “shironamhin”

৩. ইবুক সার্চ

গুগল দিয়ে ইবুক সার্চ করাও খুব সহজ। ইবুক সার্চের জন্য প্রথম বইয়ের নাম লিখুন তারপর স্পেস দিয়ে filetype:pdf লিখুন,
উদাহরন স্বরুপ; himu filetype:pdf এভাবে সার্চ দিলে বিভিন্ন সাইটে থাকা ইবুকগুলো সহজেই খুজে পাবেন।

৪. সিরিয়াল কি সার্চ

নেট থেকে কোনো ফ্রি সফটয়্যার ডাউনলোড করলে অনেক সময়ই দেখা যায় তা ট্রায়াল ভার্শন থাকে । ডাউনলোড করা সফটওয়্যারটি এক্টিভেট রাখতে হলে প্রয়োজন পরে সিরিয়াল কি’র । গুগল দিয়ে এই সিরিয়াল কি খুব সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন। সিরিয়াল কি’র জন্য সার্চের শুরুতে 94fbr কোডটি লিখুন স্পেস দিয়ে যে সফটয়্যারটির সিরিয়াল কি চান তার নাম লিখুন। উদাহরন স্বরুপ; 94fbr avast

৫. ক্রেক, কিজেন সার্চ

অনেক সময় সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কি খুঁজে পাওয়া যায় না । তখন ক্রেক বা কিজেনের প্রয়োজন পরে । গুগল সার্চ দিয়ে ক্রেক বা কিজেনও খুঁজে পেতে পারেন খুব সাধারন পদ্ধতি অনুসরন করে । এজন্য প্রথমে যে সফটয়্যারের ক্রেক চান তার নাম লিখুন তারপর স্পেস দিয়ে FBR94 কোডটি লিখুন। উদাহরনস্বরুপ; avast FBR94

৬. গুগলে অনেক সময় কোনো কিছু সার্চ দিলে উপযুক্ত রেজাল্ট পাওয়া যায় না ।এমন অবস্থায় পড়লে Advanced Search এ ক্লিক করতে পারেন (গুগলের সার্চ বক্সের পাশেই ছোট করে লেখা) । সেখান থেকে আপনি আপনার সার্চকে নিয়ন্ত্রিত করে উপযুক্ত রেজাল্ট পেতে পারবেন ।



Search Engine অপটিমাইজেশনে কার দৌড় কতদূর - গুগল এডসেন্স

গুগল এডসেন্স কীওয়ার্ড ধার্য হয়েছে, মূলত এই গুগল এডসেন্স কীওয়ার্ডের উপরে ভিত্তি করেই একটি লেখা লিখতে হবে জিন্নাত উল হাসানের ব্লগের সক্রিয় একটি লিঙ্ক দিয়ে; কিন্তু ব্যাপারটা কি আসলে? শুধুই কি গুগল এডসেন্স নিয়ে নিজের ধ্যানধারনার নমুনা প্রকাশ করতে হবে? না, যারা এতোদিন ধরে জিন্নাত উল হাসানের ব্লগের নিয়মিত পাঠক, যারা অনেক কিছুই শিখতে পেরেছেন তার লেখা পড়ে, তাদেরকে এই গুগল এডসেন্স কীওয়ার্ডের উপরে ভিত্তি করেই লিখতে হবে একটি রিভিউ। 
আপনাকে আমার ব্লগের সক্রিয় লিংকসহকারে বাংলায় রিভিউ লিখতে হবে। রিভিউতে এই ব্লগের বৈশিষ্ট্য, ভাল দিক, খারাপ দিক, কি কি দেখতে চান, গুগল এডসেন্স, ইন্টারনেটে আয়, ব্লগিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে। রিভিউটির মূল কিওয়ার্ড হবে গুগল এডসেন্স। তারপর রিভিউটি আপনি যেকোনো ব্যক্তিগত কিংবা কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশ করতে পারবেন। তারপর ওই পোষ্টটিকে অপটিমাইজেশন করবেন। অপটিমাইজেশনের স্বার্থে আপনি একাধিক পোষ্টও লিখতে পারবেন।
আমি অনেক দেরীতে, মানে আজকে যখন প্রতিযোগিতা শেষের দিন, সেইদিন দুপুরেই এই পোস্ট পড়লাম। আমার হাতে সময় নেই গুগল এডসেন্স’কে কীওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে লিখে সার্চ ইঞ্জিনে লেখা ইন্ডেক্স করিয়ে প্রতিযোগিতা শেষের আগে হাসানকে লিঙ্ক পাঠানোর। সত্যিই আর সময় নেই, ভারতীয় সময়ে এখন দুপুর দুটো বাজে। উনি যেখানে আছেন, তাতে হয়তো এতোক্ষণে তিনি প্রতিযোগীদের গুগল এডসেন্স দিয়ে লেখা রিভিউয়ের মূল্যায়ন করতে বসে গিয়েছেন।
আচ্ছা, সত্যিই তো, ব্যাপারটা কেমন হলো? জিন্নাত উল হাসান এমনিতেই পরিচিত নাম, তিনি হঠাৎ করেই তার ব্লগের রিভিউ লিখতে বলছেন গুগল এডসেন্স কীওয়ার্ড দিয়ে? কেন? একজন একাধিক পোস্ট করতে পারবেন, ব্যাক্তিগত কিম্বা কমিউনিটি ব্লগেও লেখা যাবে। সর্বনাশ! হাসানের কি নতুন মার্কেটিং ক্যাম্পেইন শুরু হল নাকি? অনেকেই এমন মনে করলেও আসলে হয়তো তা নাও হতে পারে! এমনিতেই ওনার লিঙ্ক শীর্ষে অবস্থান করে, সুতরাং অন্যদেরকে দিয়ে এইভাবে ব্যাকলিঙ্ক উনি চাইবেন না।
যারাই গুগল এডসেন্স দিয়ে লিখবেন তার ব্লগের সক্রিয় লিঙ্ক দিয়ে তাদের মধ্যে যার লিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিনের শীর্ষে থাকবে সেই ব্লগার হবেন বিজয়ী, তিনি পাবেন ডমেইন সাথে হোস্টিং যার মূল্য ২২০০ টাকা! তাহলে আর কি, আপনারা অনেকেই নিশ্চয় টার্গেট নিয়েছেন জেতার? ওঃ, আরেকটা কথা, শুধু গুগল এডসেন্স দিয়ে লিখলেই হবেনা, সেইসাথে আপনার লিঙ্ক google.com.bd সার্চ সার্ভারের রেজাল্ট পাতায় শীর্ষে থাকতে হবে কিন্তু! গুগল এডসেন্স কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলেই দেখবেন জিন্নাত উল হাসানের ব্লগ আছে শীর্ষে, সেই শীর্ষ লিঙ্ককেও পার করতে পারবেন?
আমি সঠিক জানিনা উনি কিভাবে বিচার করবেন গুগল এডসেন্স দিয়ে google.com.bd’তে সার্চ করে, জমা পড়া লিঙ্কগুলির মধ্যে কোনটি শীর্ষে আছে, নাকি একেবারেই ১ নম্বরে যে লিঙ্ক পাওয়া যাবে সেটি। যাই হোক, প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বেশ ভাল, আপনারা তাই গুগল এডসেন্স দিয়ে লেখা লিখুন ভাল করে এবং মনে করে লেখার মধ্যে তার ব্লগের সক্রিয় একটি লিঙ্ক দেবেন।
আমি এই লেখাটি আকাশপ্রদীপেই দিলাম, কারন আমার ব্লগার ব্লগটিকে এখনো গুগল নিয়মিত ইন্ডেক্স শুরু করেনি। যদিও আমার এই লেখা প্রতিযোগিতার অংশ নয়, তবে আমি দেখতে চাইছি যে অনেকেই লিখছেন রিভিউ, গুগল এডসেন্স লিখেছেন লেখার মধ্যে, আমি দেখতে চাই আমারও লিঙ্ক শীর্ষস্থান থেকে কতো নিচে থাকে। নিঃসন্দেহেই আমি শীর্ষে থাকবোনা, কারন কমিউনিটি ব্লগে যখন লেখা যাবে, তখন হাই পেজর‌্যাঙ্ক ব্লগের সাথে আমার ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ পেরে উঠবেনা। বিশেষ করে গুগল এডসেন্স যখন মূল সূত্র লেখার, ইতিমধ্যেই এই গুগল এডসেন্স কীওয়ার্ড নিয়ে প্রচুর ব্লগার লিখে বসে আছেন হাই পেজর‌্যাঙ্কের কমিউনিটি ব্লগগুলোতে।
তাই, লেখা শেষ করছি এখানেই, দেখতে চাইছি যে বাংলা ব্লগে গুগল এডসেন্স দিয়ে লেখা লিখে যিনি শীর্ষে থাকবেন, তার থেকে আমি কতো দূরে থাকি।

google pagerank কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়

আমরা সবাই কম-বেশি সাইটের পেজ রেঙ্ক সম্পর্কে জানি। এছাড়াও আপনি যদি আমার নিয়মিত পাথক হয়ে থাকেন তবে হয়ত ইতিমধ্যেই এসম্পর্কিত বেশ কিছু নিবন্ধ পরেছেন কারন পেজরেঙ্ক নিয়ে আমি ইতিপূর্বে বেশ কিছু নিবন্ধ প্রকাশ করেছি এই ব্লগে ।

গুগলের পেজরেঙ্ক নিয়ে এতো আলোচনার প্রধান কারন হচ্ছে এটি প্রতিটি ব্লগার বা ওয়েবসাইট পরিচালকের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যাইহোক, সাইটের পেজ রেঙ্ক বলতে সাইট কতটা গুরুত্বপুর্ন সেটাকে বোঝান হয় যা নির্ণয় করে থাকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের একটি বিশেষ টুলস পিআরচেকার।

ওয়েবসাইটের পেজরেঙ্ক প্রতি ৩ মাস পরপর গুগল র্কতৃক সয়ংক্রিয় ভাবে আপডেট করা হয়। গুগলের পেজরেঙ্ক আপডেটের সাথে সাথে সকল ওয়েবসাইটে এর প্রভাব পরে থাকে তাই ব্লগের জনপ্রিয়তা ঠিক রাখা অথবা আরও জনপ্রিয় করতে তুলতে পেজরেঙ্ক এর বিকল্প নেই ।

গুগলের পেজরেঙ্ক কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় ?

সকলেই গুগলের পেজরেঙ্ক বৃদ্ধি করার চেস্টা করে কিন্তু সঠিক পথ বা কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা না থাকার কারনে তা সম্ভব হয়ে উঠেনা । গুগলের পেজরেঙ্ক কিভাবে বৃদ্ধি করতে চাইলে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপরে খুবই গুরুত্ব দিতে হবে ।

নিম্নে উপস্থাপন করা হলঃ-
ওয়েবসাইটের পেজ সংখ্যা পেজ রেঙ্ক নির্ধারণে ইফেক্ট করে। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি পরিমানে পাতা থাকবে আপনার ততবেশি পেজরেঙ্ক পাবার সম্ভাবনা তৈরি হবে ।

গুগল বটও আপনার প্রকাশিত কনটেন্ট-এর মান বুঝতে পারে সুতরাং একটা পোস্ট দেয়ার আগে লেখাটিকে তথ্যবহুল, সহজ-সরল, যুক্তিপূর্ণভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন। কিন্তু আপনাকে প্রতিটি পাতার জন্য কিছু নিয়ম অনুসরন করতে হবে যেমন প্রতিটি পাতা পূর্ণতথ্য সম্ব্রিদ্ধ হতে হবে, পাতায় কপিরাইট উপাদান থাকা যাবেনা ইত্যাদি।

গুগলের পেজরেঙ্ক পাবার সবচেয়ে কার্যকরী যে পদ্ধতিটি রয়েছে তা হল ভালমানের ব্যাকলিংক পাওয়া । আপনি যদি আপনার ব্লগের জন্য ভালমানের ব্যাকলিংক বেশি বেশি পান তবে গুগলের আপনার পেজরেঙ্ক দ্রুত বাড়িয়ে দেবে । তবে মনে রাখবেন উক্ত বিষয়টি অবশ্যই মানসম্পন্ন ডুফলো ব্যাকলিঙ্ক এর উপরে নির্ভর করে । ডুফলো ব্যাকলিঙ্ক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই নিবন্ধটি দেখুন । যে সমস্ত সাইটের পেজরেঙ্ক বেশি সেগুলোতে আপনার লিংক প্রচারের চেস্টা করুন এক্ষেত্রে আপনি লাভবান হবেন ।

নিবন্ধে ব্যাকলিংক দেবার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ব্লগের কিওয়ার্ড প্রদর্শনের চেস্টা করুন তাহলে ভাল ব্যাকলিংক এর পাশাপাশি এসইও এর দিক থেকেও আপনি এগিয়ে যাবেন । মনে রাখবেন কমেন্ট বা মন্তব্য জমা দেবার ক্ষেত্রে কখনোই কিওয়ার্ডকে নামের ঘরে ব্যাবহার করবেন না এক্ষেত্রে অধিকাংশ ব্লগ পরিচালক আপনার মন্তব্য প্রকাশ করবেনা ।
অনেক ওয়েবসাইট তাদের মন্তব্যকারীদের জন্য ডূফলো লিংক প্রচারের সুবিধা দিয়ে থাকে এর মাধ্যমে আপনি সহজেই ভালমানের লিংক পেতে পারেন এই ব্লগটি ব্যাবহারকারিদের জন্য ডুফলো লিংক প্রদান করে থাকে । এছাড়াও ব্লগস্পট, হাবপেজ, সিকিডু হচ্ছে ভালস্থান যেখান থেকে আপনি সহজেই ব্যাকলিংক পাবেন ।

পরিশেষে, গুগল পেজরেঙ্ক সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে ব্যাকলিংক এর উপরে তাই ব্যাকলিংক তৈরিতে মনোযোগ দিন সয়ঙ্ক্রিয়ভাবে আপনার রেঙ্ক বৃদ্ধি পাবে । একটি বিষয় মনে রাখবেন প্রতি তিন মাস পরপর গুগল পেজরেঙ্ক তথ্য আপডেট করে থাকে তাই এক্ষেত্রে খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন না, ধৈর্য ধরে কাজ করুন এবং স্থায়ীভাবে লাভবান হোন।
নিবন্ধটি সম্পর্কে আপনার মতামত আমাকে জানাতে পারেন অথবা এসংক্রান্ত আপনার কন প্রস্ন থাকলে তা করতে পারেন নিম্নের মন্তব্যের ঘর ব্যাবহার করে । ধন্যবাদ

google pagerank কি ? গুগল পেজর‍্যাঙ্ক এর গুরুত্ব আলোচনা কর

গুগল বিশ্বের জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের অন্যতম যার সার্চ ইঞ্জিন বিশ্বের সার্চ জগতে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে। তাই ব্লগারদের তাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে জনপ্রিয় করার জন্য প্রথমেই বিশ্বের সার্চ ইঞ্জিনগুলোর দিকে নজর দিতে হয়।

গুগল পেজর‍্যাঙ্ক কি ?

গুগল পেজরেঙ্ক হচ্ছে গুললের একটি সেবা যার মাধ্যমে আমরা আমাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মান নির্ণয় করতে পারি। ভাল পেজরেঙ্ক যুক্ত সাইটগুলো গুগলসার্চ ইঞ্জিনের শীর্ষে অবস্থান করে থাকে তাই ব্লগের জন্য পেজরেঙ্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
গুগল পেজর‍্যাঙ্ক কিভাবে কাজ করে?

আমরা টিভিতে বিভিন্ন এ্যাওয়ার্ড প্রদানের অনুষ্ঠান দেখে থাকি এর অর্থ কি । এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত ব্যাক্তিরা ভাল কিছু উপহার দিয়েছেন বিধায় তারা এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। তো ব্লগের জন্য বিষয়টি ঠিক তেমনি। আপনি যদি একটি ভালমানের ব্লগ তৈরি করতে পারেন তবে অনেকেই আপনার ব্লগের তথ্যের জন্য বিভিন্ন সাইটে লিঙ্ক প্রদান করবে যাকে আমরা বলে থাকি ব্যাকলিংক। তো আপনার সাইটে যখন সমঞ্জন্যপূর্ণ ভালমানের ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক জমা পড়বে তখন আপনার সাইটটিকে গুগল ভালমানের সাইট হিসেবে আখ্যায়িত করবে অর্থাৎ আপনার সাইটের র‍্যাঙ্ক বৃদ্ধি পাবে । আর আপনার ব্লগটির যদি পেজর‍্যাঙ্ক কম থাকে তবে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনি অতি সামান্য বা খুব কম পাঠক পাবেন।

এছাড়াও আপনার ব্লগে যদি প্রতিনিয়ত ভালমানের নিবন্ধ প্রকাশ হয় তাহলেও আপনি ভাল পেজর‍্যাঙ্ক পাবেন।
গুগল পেজর‍্যাঙ্ক এর গুরুত্ব নিম্নে আলোচনা করা হলঃ

গুগল পেজর‍্যাঙ্ক এর গুরুত্ব অনেক। ভাল পেজর‍্যাঙ্ক প্রাপ্ত একটি ব্লগ অতিসামান্য উপাদান যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কিওয়ার্ড নিয়ে গুগল বা বিং এর মত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের শীর্ষে অবস্থান করে । ফলশ্রুতিতে সেই সাইটগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন প্রচুর ভিজিটর পাঠায় তাহলেতো আশা করি বুঝতেই পারছেন গুগল পেজর‍্যাঙ্ক কেন ব্লগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কিভাবে আমরা ব্লগ বা ওয়েবসাইটের পেজর‍্যাঙ্ক পরিক্ষা করবোঃ

আমরা খুব সহজেই আমাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য পেজর‍্যাঙ্ক পরিক্ষা করতে পারি। পেজর‍্যাঙ্ক পরিক্ষা করার জন্য গুগল পিআরচেকার ডট ইনফো নামে একটি সাইট তৈরি করেছে যেখানে আমরা আমাদের পছন্দের ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে জমাদিলেই দেখতে পারি সাইটের বর্তমান পেজর‍্যাঙ্ক কি । আপনি যদি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের পেজর‍্যাঙ্ক পরিক্ষা করতে চান তবে এই লিংকটিতে ক্লিক করুন

Dofollow nofollow backlinks কি? ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক কীভাবে কাজ করে

গতকাল আমি “ব্যাকলিংক কি ? ব্যাকলিংক সম্পর্কে টুকিটাকি” নামক একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যেখানে ব্যাকলিংক সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা হয়েছিল দেখতে এখানে ক্লিক করুন এবং ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক সম্পর্কে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি ।
তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক কি এবং কিভাবে ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক কাজ করে সেই বিষয়টা শেয়ার করব। যাই হোক কথা আর না বাড়িয়ে আসুন শুরু করা যাক।




ডুফলো ব্যাকলিংক কি?

ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সাধারন এইচটিএমএল লিংক। যার মাধ্যমে লিংকটি সরাসরি আপনার সাইটকে রেফার করবে এবং ব্লগ বা পোস্ট এই লিংকটিকে সমর্থন দেবে। ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী লিংক। আপনি কি ধরনের ব্লগের কাজ থেকে ডুফলো ব্যাকলিংক পাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে আপনি কি ধরনের রেঙ্ক পাবেন।
উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল  সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের ডুফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।

<a href=”http://www.banglahili.com”>বাংলাহিলি.কম</a>

নোফলো ব্যাকলিংক কি?

নোফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে এমন একধরনের লিংক যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনকে তার প্রকাশিত ব্যাকলিংক কে ক্রাওল/ ইন্ডেক্স করতে নিষেধ করে । অর্থাৎ আপনি এধরনের লিংকের মাধ্যমে কোন প্রকার পেজ রেঙ্ক পাবেননা। তবে এর মাধ্যমে কিছু ভিজিটর পেতে পারেন। বিশ্বের জনপ্রিয় সাইটগুলো নোফলো ব্যাকলিংক ব্যাবহার করে থাকে যেমন ফেসবুক, টুইটার, উইকিপিডিয়া ইত্যাদি। নোফলো ব্যাকলিংক এর সাথে rel=”nofollow” কোডটি যুক্ত থাকে যা সার্চ ইঞ্জিনকে ইন্ডেক্স করতে বাঁধা দেয়।
উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের নোফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।

<a href=”http://www.banglahili.com” rel=”nofollow”>বাংলাহিলি.কম</a>

আমরা অনেক সময় বিভিন্ন সাইটে গিয়ে পোষ্ট বা কমেন্টস করি ব্যাকলিংক পাওয়ার জন্য। কিন্তু সব সাইট থেকেই কি ভালো ব্যাকলিংক পাওয়া যায়? না কেননা যেসকল সাইটের কমেন্ট বা পোষ্ট বা লিংক যুক্ত করার অপশনে নোফলো লিংক এট্রিবিউট করা থাকে সেখান থেকে প্রকৃত অর্থে ব্যাকলিংক পাওয়া সম্ভব নয় আর যেটি পাবেন তা কোন কাজেই লাগবেনা পেজ রেঙ্ক এর ক্ষেত্রে।

যদি ও অনেক সার্চ ইন্জিন এখন নোফলো লিংক গুলোকে ব্যাকলিংক হিসাবে ধরে তারপরও সেগুলোর তেমন কোন মূল্য নেই। তাই আমাদের ব্যাকলিংক ভালো ও কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ব্যাকলিংক তৈরী করার জন্য ভালমানের ডুফলো সাইট খুজতে হবে।

কীভাবে ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক বুঝা যায় সে সম্পর্কে আগামীতে আরো বিস্তারিত সহ হাজির হবো আশা করি। ধীরে ধীরে আমি আপনাকে সার্চ ইঞ্জিনের অনেক অনেক ভেতরে নিয়ে যাব । সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে আমার গবেষণা প্রায় সাত বছরের। তারপরেও প্রতিদিন অসংখ্য ব্লগ পড়ি তথ্য আমার কাছে খুবই অমুল্য সম্পদ । প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রমের পড়েও অসংখ্য ওয়েবসাইট নিয়ে ঘাটাঘাটি করি শুধু তথ্যের জন্য।

পরিশেষে, ডুফলো এবং নোফলো সম্পূর্ণ বিপরিতধর্মী । পেন্ডা আপডেডের ফলে গুগলের সার্চ লগারিদমে অনেকটা ভিন্নতা আনেছে । যারা আগে শুধু অফ-পেইজ অপ্টিমাইজেশন করতেন তারা এখন একটু সতর্ক হয়ে যান। কারন গুগল এখন অফ-পেইজ এসইও থেকে অন-পেইজ এসইও এর প্রতি গুরুত্ব বেশি দিয়েছে। অফ-পেইজ এসইও এবং অন-পেইজ এসইও সম্পর্কে পূর্বের আর্টিক্যালে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । উপরে এর লিংক দেওয়া হয়েছে।

Backlink কি ? ব্যাকলিংক সম্পর্কে টুকিটাকি


যারা ওয়েব সাইট বা ব্লগ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে টাকা আয় করতে চান তাদের জন্য প্রথম শর্ত হলো ভিজিটর। আর ভিজিটর আনার জন্য প্রথম শর্ত হল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে ভাল অবস্থানে থাকতে হলে প্রয়োজন ব্যাকলিংক এখানে ব্যাকলিংক বললে ভুল বলে হবে বলতে হবে কোয়ালিটি ব্যাকলিংকস।

ব্যাকলিংকস কি?
ব্যাকলিংকস হল আপনার সাইটের একটি লিংক যা অন্য কোন সাইটে প্রকাশ করা হবে অর্থাৎ অন্য সাইটে প্রকাশিত আপনার লিংককেই ব্যাকলিংক বলা হয়। ব্যাকলিংক  হচ্ছে একটি ওয়েব সাইটের পেজ র‍্যাংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার।
ব্যাকলিংক তো বুঝতে পারলেন এবার চলুন দেখে নেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কি ?
কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সম্পর্কিত ব্যাকলিংক অর্থাৎ আপনি যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্লগ তৈরি করে থাকেন তবে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোন সাইটে প্রকাশিত লিঙ্ককেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বলা হয়ে থাকে । ১০০ টি সাধারন ব্যাকলিংক যে পরিমান কাজ করবে ১ টি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক সেই পরিমান কাজ করে থাকে ।
অনেকেই না বুঝে যেন তেন সাইটে ব্যাকলিংক দিতে থাকেন এতে করে তার ব্যাকলিংক এর পাহাড় গড়ে উঠে ঠিকই কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন সাইটটিকে স্পাম তালিকাভুক্ত সাইটের তালিকায় ফেলে দেয় এতে নিজের অজান্তে সাইট ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরির দিকে মনোযোগ দিন ।
প্রকারভেদের দিক থেকে  ব্যাকলিংক সাধারণত দুই প্রকার । নিম্নে দেওয়া হল-
  • ১, ডু-ফলো  ব্যাকলিংক
  • ২ নো-ফলো ব্যাকলিংক  
ডু-ফলো  ব্যাকলিংক এবং  নো-ফলো ব্যাকলিংক সন্মন্ধে পড়ে আলোচনা করা হবে । তবে প্রাথমিক অবস্থায় মনে রাখুন  ডু-ফলো ব্যাকলিংক সবচেয়ে কার্যকরী।
ব্যাকলিংক সফটওয়্যারঃআজকাল অনেকেই এধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহার করে থাকেন তার সাইটের ব্যাকলিংক বৃদ্ধি করার জন্য। আকিস্মিত বা এধরনের অনের স্পাম কমেন্ট নিয়ন্ত্রনকারী সফটওয়্যার সহজেই তা ধরে ফেলে এবং আপনার লিঙ্কটি এবং আইপি থেকে যখন বার বার তার রোবট স্পাম কমেন্ট ধরে ফেলবে তখন আপনার লিংকটিকে এবং আইপিকে স্পাম লিংকে তালিকাভুক্ত করবে। তাই সতর্ক থাকুন।
বিভিন্ন ওয়েবমাষ্টারদের সাথে রিলেশন তৈরি করুন, ফোরামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন, আরটিক্যাল মার্কেটিং এ লিংক তৈরি করুন এবং সম্পর্কিত সাইটে মন্তব্য করুন এতে করে আপনি স্থায়ী ভাবে এসইও এর সুফল পাবেন।
বিশেষ দ্রস্টব্যঃস্পামিং ব্লাক হাট এসইও এসব থেকে একদম বিরত থাকুন আপনার ব্লগটি আপনার মতোই একবার কালিমা একে গেলে তা মুছে ফেলা খুব কষ্টকর।
পরিশেষে,
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে । সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমে ব্যাকলিংককে অন্য সাইটের রিকোমেন্ডেশনরূপে দেখা হয় । গুগলের ওয়েব পেজ র‍্যাংক নিণর্য় করা হয় ব্যাকলিংককে হিসাব করেই । সুতরাং ব্যাকলিংক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট গুগল, বিং, ইয়াহু ও অন্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠে ।

SEO optimized ব্লগ পোস্ট লিখবেন দেখে নিন



সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ভালোই।

আজ আমি আলোচনা করব এসইও এবং ব্লগিং এই দুটো বিষয় নিয়ে। ব্লগিং ও এসইও দুইটা জিনিসের মধ্যে একটা গভীর সম্পর্ক আছে। এখন অনেকেই ব্লগিং শুরু করেছেন এবং নিজের ব্লগ তৈরি করছেন। তাই, নতুন ব্লগাররা নিশ্চয়ই চিন্তা করছেন কিভাবে একটা ভাল এসইও করা আর্টিকেল লিখব? আর এজন্য নিশ্চয়ই গুগলেও প্রচুর সার্চ করা হয়েছে! কিন্তু চিন্তা করবেন না – এই লিখায় আমি আপনারদের দেখাবো কিভাবে একটি এসইও অপ্টিমাইজড ব্লগ আর্টিকেল লিখবেন অত্যন্ত সহজে।


তাহলে আসুন দেখা যাক কিভাবে লিখবেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের উপযোগী আর্টিকেলঃ

১) আকর্ষণীও হেডলাইন বা টাইটেল

একটা আর্টিকেল লিখার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সেটার হেডলাইন বা টাইটেল। তাই, আর্টিকেল লিখার সময় টাইটেলের দিকে গুরুত্ব দিবেন। এমন একটা টাইটেল দিন যেটা আপনার আর্টিকেলকে এক কথায় প্রকাশ করবে। আপনার টাইটেলে যেন আপনার মূল কি ওয়ার্ডগুলি থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখবেন। পাশাপাশি টাইটেলে এমন কিছু ওয়ার্ড রাখবেন যেগুলি আপনার আর্টিকেল কে আরও আকর্ষণীও করে তুলবে।

২) সঠিক কি ওয়ার্ড নির্বাচন

আর্টিকেল লিখার আগে আপনার পছন্দসই কি ওয়ার্ড গুলি ঠিক করে নিন। সেগুলি ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখে নিন। যে সমস্ত কি ওয়ার্ড সম্পর্কে ভিজিটররা বেশি আগ্রহী সেগুলি বিভিন্ন টুলস ব্যাবহার করে নির্বাচন করে নিন।

৩) ইমেজ অপটিমাইজেশন

কোন কিছু লিখার সময় আমরা ওয়ার্ড গুলিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তবে, লিখার পাশাপাশি ইমেজকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। লিখার চেয়ে ছবি বেশি উপযোগী। একটা ছবি যেকোনো লিখাকে আরও আকর্ষণীও করে তুলতে পারে। পাশপাশি, ছবি আপনার পাঠকদের আপনার লেখার বিষয়বস্তু তুলে ধরতে অনেক সাহায্য করে। তাই, আপনার লিখার সাথে সম্পর্কিত ছবি ব্যাবহার করুন। ছবি ব্যাবহারের সময় এগুলি ভালোভাবে অপটিমাইজেশন করে নিন। এতে এসইও করতে অনেক সুবিধা হবে।

৪) ভিজিটররাই সবকিছু

আপনার ব্লগ/সাইট, আপনার লিখা, আপনার পোস্ট/আর্টিকেল সবকিছুর গুরুত্বই একটি জিনিসের ওপরে নির্ভর করে। সেটি হচ্ছে ভিজিটর। ভিজিটররাই আপনার ব্লগের প্রাণ তাই তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিন। তাদের কমেন্টগুলি ভালোভাবে পড়ুন এবং বুঝতে চেষ্টা করুন আপনার কোন কোন দিকে উন্নতি করতে হবে এবং ব্লগের উন্নতি করা যাবে। ভিজিটরদের চাহিদা মত ভালো ভালো আর্টিকেল লিখুন যেগুলি তাদের উপকারে আসতে পারে। এতে আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়বে।

আজ এই পর্যন্তই আমার আর্টিকেল। আশা করি আপনাদের এটা পড়তে ভালো লেগেছে। যদি কোন মতামত অথবা পরামর্শ থাকে তাহলে তাড়াতাড়ি বলে ফেলুন আমাকে আমি আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় বসে আছি সবাই ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।