Showing posts with label গ্রাফিক্স ডিজাইন. Show all posts
Showing posts with label গ্রাফিক্স ডিজাইন. Show all posts

Logo Design শিখুন সহজে এবং অল্প সময়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল



সবাই কে স্বাগতম জানাচ্ছি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর এই পর্বে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার চেষ্টা করছেন কিংবা লোগো ডিজাইন করার  চেষ্টা করছেন তাদের জন্য ভিডিও টিউটোরিয়ালটি ভিডিওটি দেখে মাত্র ২ মিনিটে কি ভাবে একটি লোগোর রূপ দেওয়া যায় তার ধারনা নেব।
ভিডিওটির মাধ্যমে নুন্যতম কিছু শিখতে পারলেও সেটাই হবে ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরীর সফলতা। এই ভিডিও টি দেখে আপনিও তৈরী করুন একই রকম লোগো




পোস্টটি সম্পূর্ণ নিজে কস্ট করে লিখেছি তাই কেউ কপি করে নিজের নামে চালানোর চেস্ট করবেন না যদি করেন তাহলে অবশ্যই DMCA তে আমি রিপোর্ট করব ।
কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে প্রধান কারন ও সমাধান ।


কম্পিউটার স্পীড না হওয়ার পিছনে একটি প্রধান কারণ কম্পিউটারের ভুলভাল ফাইল, ফোল্ডার যেখনে ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


বইয়ের কভার এবং সিডি বক্স এর কভার এর ডিজাইন তৈরি করুন

Adobe Illustrator
প্রিয় ভাইয়েরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।


Adobe Illustrator চেইন টিউন গুলো করতে মনে পড়ল একটি কভার ডিজাইন এর কথা, আর গুগল মামাকে কাজে লাগিয়ে পেয়ে গেলাম সুন্দর একটি ওয়েব সাইট যেখান থেকে বইয়ের / সিডি কভার সুন্দর করে তৈরি করা যায়, তো আসুন তৈরি করি এভাবে আপনি একটি তৈরি করুন আপনার জন্য।
প্রথমে ফটোশপ চালু করে আপনার কভার গুলো তৈরি করে নিন। আমার মত করে।

Adobe Illustrator

এবার এখানে ক্লিক করে প্রবেশ করুন তাদের সাইটে। তাহলে নিচের মত আসবে।

Adobe Illustrator


Choose a cover বাটনে ক্লিক করে আপনার মেইড কভার টি দেখিয়ে দিন যেটি কিছুক্ষন ফটোসপে তৈরি করা হল।
Chooose a backside বেকসাইড কভার টি দেখিয়ে দিন।
Choose a book spine ফটোশপে তৈরি করা ২ নাম্বার ডিজাইন টি দেখিয়ে দিন।


Adobe Illustrator

তারপর Create 3d Box এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। তাহলে নিচের মত দেখবেন সুন্দর একটি 3d কভার তৈরি হয়ে গেল যা আমরা ফটোশপে তৈরি করতে অনেক সময় লাগত।
এবার সেভ করার পালা দেখুন এখানে ৩টি সেভ ফাইলের ফরম্যাট আছে আপনার পছন্দের ফরম্যাট সিলেক্ট ক্লিক করুন।

Adobe Illustrator



এভাবে আপনি সিডি বক্স ও তৈরি করতে পারবেন খুব সহজে। !

লেখক হোছাইন আহম্মদ


CSS শিখার জন্য বাংলা ইবুক ।


বন্ধুরা সবাই ভাল আছেন তো আসাকরছি খুব ভাল আছেন আমিও আপনাদের দোয়াতে খুব খুব ভাল আছি আজকে আমি আপনাদের খুব কাজের একটি ইবুক শেয়ার করবো আপনারা হয়তো আমার  ।
সরাসরি দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৫ ।
সকলকে সালাম আর আল্লাহ পাকের নিকট সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা করে শুরু করছি আমার আজকের পোস্টটি পোস্টটি মূলত যাদের ব্লগ/ওয়েব সাইট আছে তাদের জন্য ।


কেন হবেন গ্রাফিক্স ডিজাইনার


নয়টা পাঁচটা অফিস যাদের পছন্দ না, যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তারাই এই প্রফেশন কে বেছে নিবেন। নিজের দক্ষতা নিয়ে মনমত কাজ করতে চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে পারেন। এখানে কাজের ক্ষেত্র বিশাল। যার মধ্যে সম্ভবনা আছে সে সফল হবেই।

কি ধরনের যোগ্যতা থাকলে হওয়া যায় গ্রাফিক্স ডিজাইনারঃ

যদি রং এবং রঙের প্রয়োগ সম্পর্কে আপনার ভালো ধারনা থাকে তবে এই কাজটি আপনারই জন্য। সূক্ষ্ম দৃষ্টি থাকতে হবে দেখার এবং সৃষ্টিশীল মন থাকতে হবে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন তৈরির জন্য। গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হলে ডিজাইনের উপর একাডেমীক পড়াশুনা বাধ্যতামূলক না। তবে ডিজাইনের উপর জ্ঞান থাকলে ভালো ডিজাইন তৈরির ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। এই প্রফেশনে আসতে হলে কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে।

যে কাজগুলো গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা করে থাকেনঃ

যে কোন ম্যাসেজ ডিজাইনের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়াই ডিজাইনারদের কাজ আর এই কাজটি করতে হলে মানুষের মনকে ঠিকমতো বুঝতে হবে। কাদের জন্য কোন ম্যাসেজটি যাবে তাদের বয়স এবং পছন্দ অপছন্দ কে বিবেচনায় রেখে ডিজাইন তৈরি করতে হবে। গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা মূলত যে কাজগুলো করে থাকেন সেগুলো হলঃ
-  দৈনিক পত্রিকার কাজ
-  ম্যাগাজিনের কাজ
-  বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপন তৈরি
-  লোগো তৈরি
-  ওয়েবসাইট তৈরি
-  মুভি পোস্টার তৈরির কাজ
-  শপিং বাগের ডিজাইন তৈরির কাজ
-  যে কোন পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য ডিজাইন তৈরি।

 ডিজাইন তৈরির কাজটি কি আনন্দদায়কঃ

অবশ্যই এই কাজটি আনন্দদায়ক। আগাই বলেছি যাদের সৃষ্টিশীল মন আছে তারা করবেন এই কাজ। যদি আপনি আঁকতে পছন্দ করেন এবং রং রেখা আর শিল্প নিয়ে খেলতে পছন্দ করেন এবং সেই সঙ্গে পছন্দ করেন বিচিত্রময় কাজকরতে তবে ডিজাইন তৈরির কাজটি আপনার জন্য আনন্দদায়ক হবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা যে সফটওয়্যারগুলো বাবহার করেনঃ

ডিজাইনাররা সাধারণত ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটরে ডিজাইন তৈরি করেন। নতুন ভার্শনের সফটওয়্যার ব্যাবহার করাটাই ভালো।

যে বিষয়গুলো অনুসরণ করলে ভালো করবেনঃ

-  ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগের জন্য ভালো ইংরেজি জানতে হবে।
-  যার জন্য কাজ করবেন তাঁর চাহিদাগুলো ভালভাবে বুঝে নেয়া।
-চাহিদা অনুযায়ী পেন্সিল স্কেচ করে নেয়া।
-পেন্সিলে আঁকা ডিজাইনের উপর বার বার কাজ করে সঠিক রুপ দেয়া
-ফাইনাল ডিজাইনটি ফটোশপ অথবা ইলাস্ট্রেটরে তৈরি করা।
-সঠিক লেয়ার, রং, টেক্সট, ইমেজ ব্যাবহার করা।
-নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লায়েন্টের কাছে ডিজাইন পৌঁছে দেয়া। এটা খুবই জরুরি একটি বিষয়।

জানতে হবে ডিজাইনের মূলনীতিঃ

সাধরন একটি ডিজাইনও মানুষের নজর কাড়তে পারে। এই কারনেই জানতে হবে কোন নিতিগুল মাথায় রেখে ডিজাইন তৈরি করলে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়।

কিছু জরুরি বিষয়ঃ

প্রিন্টিং অথবা ওয়েবপেইজে ডিজাইনটি কিভাবে যাবে তা ডিজাইনাররাই ঠিক করে দেন। যেকোনো পণ্য কেনা বেচার বেলায় সেই পণ্যের বিজ্ঞাপনটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। মানুষের সাথে পণ্যের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হচ্চে বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনের লেখাটি প্যারাগ্রাফ আকারে হবে নাকি হেডলাইনে যাবে, কোন ধরনের ফন্ট ব্যাবহার হবে, লেখার মাঝে স্পেস কেমন থাকবে ফন্ট কালার কি হবে, যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয় ডিজাইনাররা করে থাকেন। এই সব কাজগুলি নিখুঁত ভাবে করার একটাই উদ্দেশ্য আর তা হচ্ছে আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করা।

 কে কোন ধরনের কাজ করবেনঃ

সবার প্রথমে মাথায় রাখতে হবে নিজের আগ্রহ এবং যোগ্যতাকে। কাজের ক্ষেত্র বেছে নেয়ার আগে জানতে হবে কি ধরনের কাজ করতে আপনার ভালো লাগে। কেউ হয়ত ভালো লোগো বানাতে পারবেন আবার কেউ হয়ত বানাতে পারবেন মানসম্মত ওয়েব টেম্পলেট। পছন্দ এবং আগ্রহ থাকলে কাজের মান হবে অনেক ভালো। আরেকজন কি ধরনের কাজ করছেন সেটা চিন্তা করার দরকার নেই, আপনি কোন ধরনের কাজ করতে আগ্রহি তা ভেবে দেখেন।

কাজের সময় এবং পরিবেশঃ

এই প্রফেশনে কাজ করার জন্য বাঁধা ধরা কোন সময় নেই। শুধু একটা কথা মনে রাখতে হবে ক্লায়েন্টের নির্ধারিত সময়ে কাজটি জমা দিতে হবে, ডিজাইনাররা তাদের সুবিধামত কাজ করেন। কাজের চাপ বুঝে কাজ করতে হবে।

শত শত ছবিকে রিসাইজ করুন ফটোশপ দিয়ে মাত্র কয়েকটি ক্লিকে !!


আমাদের বিভিন্ন কারনে ছবি রিসাইজ করতে হয় আপনি হয়ত কোন ভাল মানের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলেছেন যার সাইজ হচ্ছে 4000*3000 এ রকম কিন্তু এই ছবি গুলো যদি ইমেইল অথবা ফেসবুকে দিতে চান তাহলে অনেক ঝামেলা হবে । আসল কথা হল বিভিন্ন কারনেই ছবি রিসাইজ করতে হয় ।

একটা দুটো ছবি হ্লে দ্রুতই করতে পারেন , কিন্তু যদি এমন হয় আপনাকে কয়েক শ ছবি একসাথে রিসাইজ করতে হবে , তাহলে একটা একটা করে করতে গেলে খবর আছে কিন্তু ফটোশপের মাধ্যমে মাত্র কয়েকটি ক্লিকেই রিসাইজ করে নিতে পারেন আপনার সব ছবি তাহলে দেখে নিন নিচের ভিডিও । 

ভিডিও দেখে কেও মাইন্ড করবেন না , আমি ঘর কোনা মানুষ তাই ভাল্ভাবে বেশি কথা বলতে পারি না এর আগে বিভিন্ন টিটোরিয়াল দেখে মনে করেছিলাম বানানো সহজ কিন্তু , একা একা রুমের ভিতর মাইক্রোফোন নিয়ে কথা বলা যে কি ঝামেলা এখন বুঝতে পারছি ।